Home চট্টগ্রাম এনজিওর প্রতারণা ও রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধের দাবিতে মানবন্ধন

এনজিওর প্রতারণা ও রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধের দাবিতে মানবন্ধন

0 0

শাহজাহানচৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার,১ সেপ্টেম্বর।

এনজিওর প্রতারণা ও রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বন্ধ স্থানীয়দের চাকরি অগ্রাধীকার ও শিক্ষাসহ সকল ক্ষেত্রে নিরাপদ পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবিতে কক্সবাজারের উখিয়া পালংখালীতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার ১ সেপ্টেম্বর থাইংখালী স্টশনে অধিকার বাস্তবায়ন কমিটির ব্যানারে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে সংগঠনের নেতৃকর্মীসহ কয়েক হাজার মানুষ হাতে বিভিন্ন ব্যানার, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন নিয়ে অংশগ্রহণ করে।

রিদুয়ানুল আজিজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানবন্ধনে বক্তব্য রাখেন, পালংখালী ইউপি চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী, পালংখালী ইউনিয়ন আওয়ামিলীগ নেতা এম.এ মঞ্জুর, ছত্রনেতা আনোয়ারুল হোসাইন, এডঃ আব্দুল মালেক, অধিকার বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক ইঞ্জিয়ার রবিউল হাসানসহ প্রমুখ।

মানবন্ধনে বক্তারা বলেন,মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে পালিয়া আসা উখিয়া-টেকনাফে আশ্রয় নেওয়া ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বসবাস করে আসছে। বিপুল জনসংখ্যার চাপে স্থানীয় জনগৌষ্ঠীর স্বাভাবিক জীবন যাত্রাও বাস্তসংস্থানের উপর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে স্রোতের মত আসা রোহিঙ্গাদের কারণে স্থানীয় জনসাধারণের জীবন নানা দিক থেকে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এদের চাপে কৃষি জমি,বন,সার্বিক নিরাপত্তা, শ্রমবাজার এবং শিক্ষাসহ স্থানী মানুষের জীবন নানা দিক থেকে ক্ষতিগ্রস্ত।

স্থানীয় শ্রমবাজারে রোহিঙ্গারা সস্তায় কাজ করার কারণে স্থানীয়দের আর কাজ জুটছে না,এরকম এরকম নানা সমস্যায় স্থানীয়দের মধ্যে বাড়ছে তিক্ততা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, অধিকার বাস্তবায়ন কনিটির সদস্যা সচিব আব্দুল গফুর নান্নু, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আনোয়ার হোসাইন,কামাল হোসাইন,তাহিজুল আকতার জুয়েল,নুরুল কবির রানা,একমিনানুল হক,জসিম উদ্দিন,যুন্ম আহবায়ক, লোকমান হাকিম,মোঃ তারেক,মোঃ হারুন,

পালংখালী ইউপি চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী ৭ দফা দাবিকে সমর্থন করে বলেন, রোহিঙ্গাদের কারণে আমার ইউনিয়নের সর্বক্ষেত্রের জনসাধারণ বিভিন্ন দিক দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ও প্রতারিত হয়েছে বিভিন্ন এনজিও থেকেও। তাদের ৭ দফা দাবি ফিরিয়ে দেওয়া হউক

অধিকার বাস্তবায়ন কমিটির দেয়া ৭ দফা হলো-

১.ইউএন ( জাতিসংঘ) অর্গনাইজেশন বা এনজিওগুলো তাদের বাজেটের ৩০ শতাংশ স্থানীয়দের উন্নয়নে ব্যয় করার যে ঘোষণা দিয়েছে সেই অনুযায়ী কাজের সঠিক বাস্তবায়ন এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে

২.সরকারের নিদর্শনা অনুসারে রোহিঙ্গা পোগ্রামে এনজিওর চাকরিতে স্থানীয় জনগণের যে ৭০% কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ নং পালংখালী স্থানীয় জনগৌষ্ঠীর জন্য তা নিশ্চিত করতে হবে।

৩.নিয়োগ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনতে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় প্রতিনিধির সমন্বয়ে একটি৷ মনিটরিং সেল করতে হবে

৪. মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের জন্য রোহিঙ্গাদের উৎসাহিত করতে এনজিওদের বিশেষ কর্মসূচি নিতে হবে।

৫.স্থানীয় জনগৌষ্ঠীর কোটায় অথবা আওতাধীন করে হবে তার ম্যাপ/ সীমানা নির্দিষ্ট করতে হবে।

৬.এনজিওতে চাকরির জন্য প্রতিটি অফিসে সরাসরি আবেদন গ্রহণের ব্যবস্থা করতে হবে।

৭.ইউনিয়নের স্থানীয় জনসাধারণের জন্য আধুনিক মানের হাসপাতাল নির্মাণ করতে হবে এবং ইমার্জেন্সি রোগীর জন্য ২৪ ঘণ্টা ফ্রি এম্বুলেন্স সার্ভিসের ব্যবস্থা করতে হবে।

NO COMMENTS

Leave a Reply