Home আইন ও আদালত স্বজ্ঞানে মুসলিম হওয়ায় সুমিষ্টার দোষ

স্বজ্ঞানে মুসলিম হওয়ায় সুমিষ্টার দোষ

নও মুসলিম বোনটির পক্ষে আদালত রায় দিলেও পেশিশক্তি ও ব্ল্যাক মেইলের কারনে রক্ষা করতে পারলাম না,,,
মাস্টার্সে পড়ুয়া মেয়েটির অপরাধ স্বজ্ঞানে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। ধর্মান্তরিত হওয়ার মামলায় বোন ফাহিমা জান্নাতের জোরালো বক্তব্য শুনে প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় আদালত বোনটিকে নিজ জিম্মায় ছেড়ে দেন। বিজ্ঞ আদালত বোনটিকে নিজ হেফাজতে থাকবে মর্মে আদেশ দেয়ার পর বোনটির পরিবারের পক্ষের ২০/৩০ জন আইনজীবী সহ আরও ২০/৩০ জন আত্মীয় স্বজন ও ভাড়াটে লোক বোনটিকে ঘিরে ধরে।

তারা অসহায় বোনটিকে বিভিন্নভাবে হুমকি দমকি দেয়,,,, তাতে ব্যর্থ হয়ে তারা বোনের বাবা খুব অসুস্থ বলে ব্ল্যাক মেইল করে ফলে বোনের মন গলে যায়।

অবশেষে বোনটি বাবাকে দেখতে যাবে বলে জানায়,, এও বলে অসুস্থ বাবাকে দেখে চলে আসবে। আমরা যে ৫/৬ জন ছিলাম আমাদেরকে বোনটির কাছেও যেতে দেয়নি। এমনকি তারা আমাদের সাথে মারমুখি আচরণ করে একপর্যায়ে আমাকে ৪/৫বার ধাক্কাও দিয়ে ফেলছে। তারা পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক সন্ত্রাসী কায়দায় ৫/৬টি সিএনজি নিয়ে বোনটিকে আদালত প্রাঙ্গন থেকে তুলে নিয়ে যায়।

আমাদের পক্ষে দুইজন সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট রফিকুল হক ও এডভোকেট মাসুদুল আলস সাহেব থাকলেও বোনটির বড় ভাই আইনজীবী এবং তাদের পক্ষে অধিক আইনজীবী থাকায় তাদের সাথে সম্পর্ক খারাফ হয়ে যাওয়ার ভয়ে তারা বিজ্ঞ৷ আদালতের সামনে কলা গাছের ভূমিকা পালন করে তবে অপেক্ষাকৃত জুনিয়র আইনজীবী এডভোকেট সুলতানা বোনটিকে বাঁচানোর জন্য আদালতে আপ্রাণ চেষ্টা করে।

এসময় আমার সাথে ছিল প্রিয় মোর্শেদ ভাই, বোয়ালখালীর ইব্রাহিম ভাই, সহ আরো ২/৩ জন ভাই। মনে হল যেন দেশে আমরাই সংখ্যালঘু জাতি।

বোনটিকে যেভাবে সন্ত্রাসী কায়দায় তুলে নিয়ে গেছে বোনটিকে কি নির্যাতন করে আল্লাহ আ’লাম। বোনটির জীবন আশংকার মুখে। নিজেকে বড়ই অপরাধী মনে হচ্ছে।
সবাই বোনটির জন্য আন্তরিকভাবে দোয়া করবেন।

NO COMMENTS

Leave a Reply