Home চট্টগ্রাম জলাবদ্ধতা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন ও ফটো প্রসঙ্গে-সুজন চউক প্রকল্প বাস্তবায়নের উপরই নির্ভর...

জলাবদ্ধতা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন ও ফটো প্রসঙ্গে-সুজন চউক প্রকল্প বাস্তবায়নের উপরই নির্ভর করে জলাবদ্ধতা নিরসন

0 0

চট্টগ্রাম- ২০ আগস্ট ২০২০ আজ দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় ‘চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত কাপাসগোলা সিটি কর্পোরেশন মহিলা স্কুল এন্ড কলেজের নিচ তলায় জমে থাকে বৃষ্টি ও জোয়ারের পানি। করোনার কারণে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে’ এ ক্যাপশানে যে ছবি প্রকাশিত হয়েছে তার জন্য চসিকের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন স্থিরচিত্র ধারণকারীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বলেন,

ভবিষ্যতে জনগুরুত্বপূর্ণ নাগরিক দুর্ভোগ লাঘবে ও নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধিতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের করণীয় বিষয় সমূহের অনুসন্ধিসু প্রতিবেদন ও স্থিরচিত্র প্রকাশিত হলে তা আমলে এনে চসিক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাবে। বিগত আগস্ট ২০১৬ সালে চসিকের আওতাধীন স্কুল ও কলেজ ভবন সমূহে স্থায়িত্ব ও সক্ষমতা সংক্রান্ত জরীপ করা হয়। এর মধ্যে কাপাসগোলা সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়।

এরই প্রেক্ষিতে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে সরকারি অর্থায়নে বিদ্যালয় মাঠে ৬ তলা ভবন নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। ভবনটি নির্মিত হলে ঝুঁকির তালিকায় অন্তর্ভূক্ত এই পুরাতন বিদ্যালয় ভবনটি ভেঙ্গে উক্ত জায়গায় খেলার মাঠ করা হবে। সাম্প্রতিককালে অতিবর্ষণ ও জোয়ারের প্রভাবে বিদ্যালয় সংলগ্ন হিজড়া খালের পানি উপছে পড়ে বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে জলমগ্ন অবস্থা সৃষ্টি হয় পাশাপাশি বিদ্যালয় ভবনের নিচ তলায় পানিতে নিমগ্ন।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে চট্টগ্রাম মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন কল্পে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (চউক) এর ‘চট্টগ্রাম শহরে জলাবদ্ধতা নিরসন কল্পে খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন’ শীর্ষক ৫৬১৬.৪৯ কোটি টাকার প্রকল্প জুলাই ২০১৭ থেকে জুন ২০২০(বর্ধিত সময় ২০২২) মেয়াদে কর্ণফুলীর নদীর সাথে সংযোগকারী ৩৬টি খাল পরিকল্পিত ভাবে পুনঃখনন, সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন করার পাশাপাশি বাৎসরিক নিয়মিত ময়লা আবর্জনা চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অপসারণ বিষয়ে প্রকল্পে অন্তর্ভূক্ত রয়েছে।

গত ১৮ আগস্ট তারিখে আমি হিজড়া খাল সংলগ্ন কাপাসাগোলা হতে বহদ্দারহাট মুরাদপুর পর্যন্ত পরিদর্শনকালে যেসব শাখা খালে আবর্জনা স্তুূপ দেখতে পেয়ে তা সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী, পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিক অপসারণের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করি।প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেন, চট্টগ্রাম ওয়াসা প্রণিত মাস্টার প্ল্যানে চট্টগ্রাম শহরের মোট ৫৭টি খাল চিহ্নিত করা হয়েছে। যার মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ১৬১ কিলোমিটার।

এর মধ্যে ২২টি খাল কর্ণফুলী নদীতে ও ২টি খাল হালদা নদীতে, ১৪টি খাল বঙ্গোপসাগরে পরেছে এবং অবশিষ্ট ১৯টি আন্তঃ সংযোগ খালের ওভারফ্লো রোধে তলানীর বর্জ্য, মাটি অপসারণ, খাল সমূহ/অন্যান্য কাজ চউক প্রকল্পের অন্তর্ভূক্ত উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে নগরবাসী জলাবদ্ধতা থেকে রেহাই পাবে। চউক প্রকল্প বাস্তবায়নের উপরই নির্ভর করে জলাবদ্ধতা নিরসন।

NO COMMENTS

Leave a Reply