Home অপরাধ আনোয়ারায় বৃদ্ধ মানচমা খাতুনকে নিজ ঘরে ঢুকতে দিলেনা মাদক ব্যবসায়ী ও তালাকপ্রাপ্ত...

আনোয়ারায় বৃদ্ধ মানচমা খাতুনকে নিজ ঘরে ঢুকতে দিলেনা মাদক ব্যবসায়ী ও তালাকপ্রাপ্ত পুত্রবধূ

মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন স্টাফ রিপোর্টার

আনোয়ারায় মনচমা খাতুন (৬০)কে তার নিজ ঘরে ঢুকতে দিলো না তার তালাকপ্রাপ্ত পুত্রবধূ ও মাদক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম। এক বছর বাইরে থাকার পরে নিজ ঘরে ফিরে গেলে ঘরে ঢুকতে দিলো না তারা।

জাহাঙ্গীর আলম,পিতা নজির আহমদ তিনি একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী,এখনো পর্যন্ত মাদক ব্যবসা করে যাচ্ছেন,তাকে সবাই মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে চিনে।

মানচমা খাতুন (৬০)যখন তার নিজ ঘরে অবস্থান করতে যায় তখন মাদক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম খবর পেয়ে কিছু মাদক সেবনকারী গুন্ডাপান্ডা ও দুই বছর আগে তালাকপ্রাপ্ত পুত্র বধুকে নিয়ে মানচমা খাতুনকে ঘরে ঢুকতে বাধা দেন। মানচমা খাতুন(৬০) ঘরে ঢুকতে না পেরে চলে যান।

মাদক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম বলেন আমি মাদক ব্যবসা ওপেন করি কেউ আমাকে কিছু করতে পারবে না।তখনো কিন্তু সেই ওখানে মাদক সেবন করে এসেছিলেন তার মুখে মাদকের গন্ধ বের হচ্ছে।

উল্লেখ্য-আনোয়ারা,আমুরপাড়া,গুয়াপঞ্চক,বৈরাগে দুই বছর আগে তালাক হওয়া জাহাঙ্গীর আলমের-বউ মিনু আক্তার তার শাশুড়ি মানচমা খাতুন (৬০)কে নির্যাতন করে ঘর থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন শাশুড়ি মানচমা খাতুন।

সরেজমিনে গেলে মানচমা খাতুন বলেন আমার ছেলে জীবিকার তাগিদে সৌদিতে থাকেন,সেখান থেকে টাকা পয়সা তার স্ত্রীর মিনু আক্তার নামে পাঠাইলে মিনু আক্তার টাকাগুলো বিভিন্ন খারাপ কাজে ব্যয় করে এবং স্বামীর অনুমতি ছাড়া বিভিন্ন সময়ে পর পুরুষের সাথে বাইরে গিয়ে মিলামেশা করতো,আমার ছেলে এবং আমি বাধা দিলে আমাদেরকে অকাট্য বাসায় গালাগালি করতো,আমার ছেলে সৌদিয়াতে চলে গেলে আমি মানচমা খাতুন (৬০) কে নির্যাতন করত,

তাই আমার ছেলে স্ত্রীকে নিয়ন্ত্রণে আনতে না ফেরে গত ২৬-৪-২০১৮ ইংরেজিতে আদালতের মাধ্যমে তালাক প্রদান করে।

তালাক এবং দেনমোহর টাকা বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ১নং বৈরাগ ইউনিয়ন পরিষদের ০৫/১৯ ইং তে একটা অভিযোগ করে অভিযোগ নম্বর-৪৫ এতে পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সালমান মহোদয় মিনু আক্তার নিকট বারবার নোটিশ প্রদান করিলে আমার ছেলে জাহাঙ্গীর আলম হাজির থাকলেও মিনু আক্তার ইউনিয়ন পরিষদে হাজির হওয়া থেকে বিরত থাকায় চেয়ারম্যান তালাক কার্যকর করেন।

এতে মিনু আক্তার ক্ষিপ্ত হয়ে তার মামা মাদক ব্যবসায়ী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, পিতা নজির আহমদ যিনি মাদকের কারণে কয়েকবার জেলও খেটেছেন,তিনি কিছু গুন্ডাপান্ডা নিয়ে আমার ঘরে এসে আমাকে নির্যাতন করে ঘর থেকেবের করে দেয় এবং মিনু আক্তারকে ঘরে ঢুকিয়ে দেন। আরো বলে আমি আমার ঘরে গেলে আমাকে জানে মেরে ফেলবে,আর আমার ছেলে দেশে আসলে তাকেও মেরে ফেলবে।এতে কোন উপায় না পেয়ে আনোয়ারা থানায় ২বার অভিযোগ করি। কিন্তু কোন প্রতিকার না পেয়ে। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাহায্য কামনা করেছেন।

NO COMMENTS

Leave a Reply