হবিগঞ্জের মাধবপুরে নির্বাচন কর্মকর্তার বাসায় ৬ভরি স্বর্ণ ৫ ভরি রুপা ও নগদ টাকা চুরি।

    0 0

    হবিগঞ্জের মাধবপুরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনের জন্য নানা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে, বিশেষ অভিযানও চলছে। নিয়মিত কার্যক্রম তো রয়েছেই।
    কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি বলে না, তাদের তৎপরতায় শৃঙ্খলা ফিরেছে বা অপরাধ উল্লেখযোগ্য মাত্রায় কমেছে।

    ছিনতাই, খুনাখুনি, হামলা, মাদক কারবার যথারীতি চলছে। বরং সম্প্রতি আরো কয়েক ধরনের অপরাধ বেড়েছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত-প্রচারিত খবরে মনোযোগ দিলেই প্রকৃত অবস্থাটি বোঝা যায়।
    গত কয়েক মাসে চুরি,ডাকাতি,মাদক,খুন আশংকাজনক হারে বেড়েছে।

    মাধবপুর পৌরসভার শ্যামলী পাড়ায় উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বাসায় ভয়াবহ চুরি হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার সকালে মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পৌর শহরের শ্যামলী পাড়ায় মুজিবুর রহমানের বাসায় ২য় তলায় পরিবারসহ ভাড়া থাকেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান।

    গত বৃহস্পতিবার তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদী বেড়াতে গেলে আজ সকালে তিনি বাসায় এসে দেখেন মেইন দরজার ইয়েস বোল ভাংগা।তিনি বাসা ঢুকে দেখেন আলমিরা খোলা,কাপড়-চোপড় বিক্ষিপ্ত ভাবে পড়ে আছে। তিনি জানান,নগদ ৫৫ হাজার টাকা,৬ ভরি স্বর্ণের অলংকার,৫ ভরি রুপা ও একটি ম্যাক্সিমাস ট্যাব চুরি হয়েছে।

    এছাড়া মাদকবিরোধী অভিযানের পরও পরিস্থিতির লক্ষণীয় অগ্রগতি হয়েছে বলে মনে হয় না। ইয়াবা কারবারিদের ব্যবসা চলছে। ইয়াবায় অভ্যস্ত করার পর শিশুদেরও এ ব্যবসায় নামাচ্ছে তারা।

    মাদকবিরোধী অভিযান লোক দেখানো ঘটনাতে পরিণত হলো শেষ পর্যন্ত। সরষের মধ্যেই ভূত, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লোকজনই ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত এমন অভিযোগ উঠেছে।

    অপরাধ দমন অভিযানের পরও অপরাধ কেন কমছে না, তা খতিয়ে দেখতে হবে এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। অপরাধের সঙ্গে এক শ্রেণির পুলিশ সদস্যের সম্পৃক্ততা যেকোনো মূল্যে বন্ধ করতে হবে। আশা করি, জননিরাপত্তার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

    NO COMMENTS

    Leave a Reply