Home চট্টগ্রাম সাগরে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা উঠে যাচ্ছে আজ মধ্য রাতে সাগরে নামতে...

সাগরে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা উঠে যাচ্ছে আজ মধ্য রাতে সাগরে নামতে শতশত ট্রলার প্রস্তুত

0 0

সি টি জি ট্রিবিউন শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার, ২৩ জুলাই।সাগরে মাছ ধরার উপর ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে। রাত পোহালেই সাগরে নামবে শতশত ট্রলার ও নৌকা। চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।

আজ ২৩ জুলাই (বৃহস্পতিবার) রাতে শেষ হচ্ছে সাগরে ৬৫ দিনের মাছ ধরার উপর সরকারী নিষেধাজ্ঞা। নিষেধাজ্ঞা শেষে
ফের সাগরে ছুটতে ব্যস্ত দিন কাটাচ্ছেন জেলেরা।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সরকমিনে দেখাগেছে, বিভিন্ন পয়েন্টে কেউ শেষবারের মতো জালটা মেরামত করছেন, কেউ আবার শেষবারের মতো জাল বুনছেন। কেউবা চেক করে নিচ্ছেন জালে কোনো ত্রুটি আছে কি না। আবার কেউ কেউ ট্রলারে বরফ মজুদ করে নিচ্ছেন। সেই সাথে বেশ কদিন সাগরে থাকার খাবার দাবার। ব্যস্ততার যেন শেষ নেই জেলেদের।

মৎস্য সম্পদের উন্নয়নে গত ২০ মে থেকে ৬৫ দিন মাছ ধরা বন্ধে সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) থেকে ফের মৎস্য শিকারে বের হবেন জেলেরা। আর তাই যেন সব ধরণের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে ফিশিং ট্রলার মালিক ও জেলেরা। ফিশিং ট্রলার সংস্কারের পাশাপাশি মেরামত করা হয়েছে ছেঁড়া জালও। শহরের নুনিয়ারছড়া মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র (ফিশারি ঘাটে) গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা গেছে।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, ইঞ্জিন ও বোট মেরামত শেষ হয়েছে। মৎস্যজীবীরা জাল তুলছেন ফিশিং ট্রলারে। সংগ্রহ করছেন খাবার ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি। সেখানে বিরাজ করছে সাগরে যাওয়ার আনন্দ।
রয়েছে ব্যস্ততা। সাগর থেকে ট্রলার ভর্তি মাছ নিয়ে ফিরবেন সেই স্বপ্ন দেখছেন তারা।

কক্সবাজার মৎস্য অবতরন কেন্দ্রের মার্কেটিং অফিসার দেলোয়ার হোসেন বলেন, এখানকার মৎস্য অবতরন কেন্দ্রের এক কর্মকর্তা বলছেন ৬৫ দিন মাছ ধরা বন্ধ থাকার সুফল পাচ্ছেন জেলেরা। মাছ ধরা বন্ধ থাকায় এই অবতরন কেন্দ্রে গত বছর ৩ হাজার মেট্রিক ট্রন মাছ বেশী পেয়েছেন আগের বছরের তুলনায়।

এতে সরকারের রাজস্বও বৃদ্ধি পেয়েছে। এই নিয়ম চালু থাকলে সামনে মৎস্য আহরণ আরো বৃদ্ধি পাবে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১১০১৭ মেট্রিক টন মাছ আহরন করে জেলেরা যাতে সরকার রাজস্ব পায় ৮৬ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা। অথচ তার আগের বছর মৎস্য আহরণ করেছিল সাড়ে ৯ হাজার মেট্রিক টনের মতো।

কক্সবাজার জেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলায় অর্ধলক্ষের মতো নিবন্ধিত জেলে রয়েছে। আবার অনিবন্ধিত জেলে রয়েছে অনেক। জেলায় ফিশিং ট্রলার রয়েছে সাড়ে ৫ হাজার।বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে সাগরে মৎস্য শিকারে যেতে পারবেন জেলেরা।

গত ২০ মে থেকে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা থাকায় অলস সময় কাটিয়েছেন জেলেরা। এবারই প্রথম বাণিজ্যিক ট্রলারের পাশাপাশি সব ধরনের নৌযানে নিষেধাজ্ঞা থাকায় সংকটে পড়েছিলেন মৎস্যজীবিরা।

NO COMMENTS

Leave a Reply