Home চট্টগ্রাম অপপ্রচারের শিকার মধ্যম হালিশহর পুলিশ ফাঁড়ি

অপপ্রচারের শিকার মধ্যম হালিশহর পুলিশ ফাঁড়ি

0 0

সি টি জি ট্রিবিউন নিজস্ব প্রতিবেদক :কথায় আছে, করিৎকর্মা ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানের ভালো কাজের সমালোচনার পাল্লা ভারী হয় প্রায়ই। যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কাজ করে তার গঠনমূলক ও্ যৌক্তিক সমালোচনা গ্রহণযোগ্য। কিন্তু অযৌক্তিক ,

অমূলক ও উর্বর মস্তিষ্কের কল্পনা প্রসূত সমালোচনা সত্যিই বেদনাদায়ক। আর এই অযৌক্তিক সমালোচনার শিকার হয়েছেন বন্দর থানার আওতাধীন মধ্যম হালিশহর পুলিশ ফাঁড়ির আইসি ইনচার্জ জনবান্ধব এসআই নাসির উদ্দিন ও তার টীম ।

বৈশ্বিক মারামারি করোনা ভাইরাসের করাল গ্রাসে মানবিক এবং আর্থিকভাবে পর্যদুস্ত সবাই। ঠিক সেই সময়, জনবহুল মধ্যম হালিশহর এলাকায় তৎকালীন ডিসি-পোর্ট হামিদুল আলমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং বন্দর থানার জনবান্ধব ওসি সুকান্ত চক্রবর্তীর দিকনির্দেশনায় মধ্যম হালিশহর পুলিশ ফাঁড়ির আইসি ইনচার্জ মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীনের অক্লান্ত পরিশ্রমে মধ্যম হালিশহর এলাকার জনসাধারণের মাঝে মানবিক ও আর্থিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয় মধ্যম হালিশহর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ।

চলমান করোনা কালীন শুরু থেকেই মানবিক পুলিশিং মনোভাব বজায় রেখে মধ্যম হালিশহর প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে বিনামূল্যে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, হ্যান্ড রাব, মাস্ক, খাদ্য ও নগদ অর্থ বিতরণ করেন আইসি ইনচার্জ এসআই নাসির উদ্দিন এবং পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যবৃন্দ। শুধু তাই নয় , করোনাভাইরাস এর ব্যাপ্তি ঠেকাতে জনসাধারণকে বাড়িতে রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন তারা । ফলশ্রুতিতে মধ্যম হালিশহর এর মতো জনবহুল এলাকায় করোনার প্রকোপ খুবই কম ছিল । যা ইতিমধ্যে সুধী মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।

এসআই নাসির উদ্দিন ১ বছর পূর্বে দায়িত্ব গ্রহণের পর জুয়া,মদ, মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপের সাথে জড়িত এলাকার চিহ্নিত ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। জুয়া ও মাদকের জন্য বিখ্যাত মধ্যম হালিশহর এলাকা কে জুয়াড়ি ও মাদক মুক্ত করতে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন এই নাসির। মধ্যম হালিশহর এলাকা মাদক ও জুয়া মুক্ত করার অন্যতম কারিগর এসআই নাসিরের কর্মকাণ্ডে স্বস্তি প্রকাশ করেছে এলাকাবাসী।

অত্র এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ সোহেল বলেন ” পূর্বে মদ, জুয়া এবং নানা ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপের জন্য প্রতিদিন এলাকায় গন্ডগোল হত। এসআই নাসির দায়িত্ব গ্রহণের পর কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ায় এলাকার আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক আছে।

এলাকার সাধারণ ব্যবসায়ী সুমন বলেন ” পূর্বে অত্র এলাকায় মাদক সন্ত্রাসী ও জুয়াড়ীদের অভয়ারণ্য ছিল । মধ্যম হালিশহর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বলতে গেলে তা এখন শূন্যের কোটায় । এসআই নাসিরের জনবান্ধব কর্মকাণ্ডে মুগ্ধ হয়ে সদ্য বদলি হওয়া ডিসি-পোর্ট হামিদুল আলম তাকে পুনরায় এক বছরের জন্য মধ্যম হালিশহর পুলিশ ফাঁড়ির আইসি ইনচার্জ এর দায়িত্ব প্রদান করেন।

এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে ” এসআই নাসিরের ব্যাপক জনবান্ধব কর্মকাণ্ড এবং মাদক, জুয়া ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের কারণে চিহ্নিত কিছু সমাজবিরোধী ব্যক্তির রোষানলে পড়েছেন। বিশেষ করে যারা এই সমস্ত অনৈতিক কর্মকান্ড থেকে নিয়মিত বখরা পেত সেই সব ব্যক্তিবর্গ বেজায় ক্ষুব্ধ নাসিরের উপর । তারা পূর্বের ন্যায় তাদের পছন্দের মর্জিমাফিক ব্যক্তি কে মধ্যম হালিশহর পুলিশ ফাঁড়ির মসনদে বসাতে চায় ।

ফলশ্রুতিতে এই সব চিহ্নিত সমাজ বিরোধী ব্যক্তিবর্গ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন গনমাধ্যমে বানোয়াট, অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছে ।
অপপ্রচার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মধ্যম হালিশহর পুলিশ ফাঁড়ির আইসি ইনচার্জ এস আই মোঃ নাসির উদ্দিন বলেন ” ভালো কাজ যিনি করেন তার সমালোচনা তো হবেই । তবে যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য সমালোচনা কে আমি সাধুবাদ জানাই । অর্থহীন, মনগড়া ও বিভ্রান্তিকর সমালোচনা নিন্দনীয় ।

আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই মাদক, জুয়া ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করি এবং কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করি। যার সুফল মধ্যম হালিশহরবাসী আজ পাচ্ছে । উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত আমার পক্ষে কোন কিছুই করা সম্ভব নয় এবং আমি যা কিছু করি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষেই করি।অনৈতিক এবং অন্যায় কর্মকান্ড কে প্রশ্রয় না দেওয়ায় একটি চিহ্নিত স্বার্থান্বেষী মহল আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করেছে এবং এর সাথে যুক্ত হয়েছে রাজনৈতিক গ্রুপিং।

যার শিকার আমি এবং আমার পুলিশ ফাঁড়ির চৌকস সদস্যরা ।পুলিশ জনগণের বন্ধু এই ধারণা আমি জনমনে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছি “

NO COMMENTS

Leave a Reply