Home আইন ও আদালত রোহিঙ্গা ডাকাত আবদুল হাকিম অধরা”আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শেষ টার্গেট হাকিম!”

রোহিঙ্গা ডাকাত আবদুল হাকিম অধরা”আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শেষ টার্গেট হাকিম!”

সি টি জি ট্রিবিউন শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার, ৪ জুলাই ।রোহিঙ্গা দুর্ধর্ষ ডাকাত আবদুল হাকিম। আবদুল হাকিম ডাকাতের বেড়ে ওঠা গরুর চোরাকারবারির মাধ্যমে। মিয়ানমার থেকে গরুর চালান নিয়ে আসতো বাংলাদেশে।মিয়ানমারে ম্যাট্রিক পর্যন্ত পড়ালেখা করেছেন তিনি। পরে জড়িয়ে পড়ে ইয়াবা ও অস্ত্র কারবারে। ভিআইপিদের শেল্টারে এক সময়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে গড়ে তোলেন ডাকাত বাহিনী।

মিয়ানমারের রাশিদং থানার বড়ছড়া গ্রামের জানি আলীর ছেলে আবদুল হাকিম কক্সবাজারের সীমান্ত জনপদ টেকনাফের পাহাড়ি অঞ্চল ও মিয়ানমার সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের কাছে এক আতঙ্কের নাম। গত দুই যুগ আগে হাকিম মিয়ানমারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তাকে খুন করে দেশ ছাড়েন, পালিয়ে আশ্রয় নেন টেকনাফে।

সঙ্গে নিয়ে আসেন স্ত্রী-সন্তান ও পাঁচ ভাইকে।অভিযোগ রয়েছে, কুতুবদিয়া দ্বীপে মিথ্যা তথ্য দিয়ে জন্ম নিবন্ধনসহ ভোটার আইডি তৈরি করে নিয়েছেন হাকিম ও তার পরিবারের সদস্যরা। টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের মিস্ত্রীপাড়ার জহির আহমদ ওরফে গাছ জহিরের মেয়ে ইসমত আরা বেগমকে বিয়ে করেন হাকিম। তিনি একাধিক বিয়ে করেছেন।ইসমতের ভাই নুইজ্জা ডাকাত হাকিমের সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে পরিচিত। তিনিও বন্দুক যুদ্ধে মারা যান।

গত ২৬ জুন পুলিশ তাদের আস্তানায় অভিযান চালালে হাকিম ডাকাত পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও নিহত হন তার ২ ভাই বশির আহমেদ ও আবদুল হামিদসহ ৪ জন ।
এরআগে গত ডিসেম্বর মাসে তার আরেক ভাই, শ্যালক ও স্ত্রী পুলিশের বন্দুক যুদ্ধে মারা যান।সীমান্ত জনপদের ভিআইপিদের শেল্টারে দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে রোহিঙ্গা আবদুল হাকিম টেকনাফের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করেছে, টেকনাফ পৌর এলাকার পুরাতন পল্লান পাড়ায় বনভূমি দখল করে গড়েছেন কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে বিশেষ কায়দায় প্রাসাদোপম অট্টালিকা।

অবশ্য এসব অট্টালিকা এখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কব্জায়।অভিযোগ রয়েছে, ডাকাত হাকিম ২০১৫ সালের ১২ জুন সেলিম ওরফে মুন্ডি সেলিমকে হত্যা করেন। নুরুল কবির নামে একজনকেও খুন করে হাকিম বাহিনীর সদস্যরা। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের মংডুর বাসিন্দা নুরুল হকের ছেলে নুর হাফেজ ও নাইট্যংপাড়ার মৃত মোহাম্মদ কাশিমের ছেলে তোফায়েলকেও অপরহরণ করে হত্যার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

সুত্র মতে, ২০১৫ সালে ১৩ জুন টেকনাফ পৌরসভার পুরাতন পল্লানপাড়ার বাসিন্দা ও পুলিশের তথ্যদাতা (সোর্স) মোহাম্মদ সেলিম ও ওরফে মুন্ডি সেলিমকে কুপিয়ে হত্যার পর প্রথম আলোচনায় আসে এই ডাকাত সর্দার। ২০১৬ সালের ১৩ মে হাকিম ও তার বাহিনীর সদস্যরা হামলা চালিয়ে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া মুছনী রোহিঙ্গা শিবিরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার ব্যারাকে লুটপাট চালায়। এসময় গুলিতে নিহত হন ব্যারাকের আনসার কমান্ডার মো. আলী হোসেন।

এসময় আনসারের ১১টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৬৭০টি গুলি নিয়ে পাহাড়ে আত্মগোপন করে হাকিম ডাকাত। পরদিন হাকিমসহ বাহিনীর ৩৫ সদস্যের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় খুনসহ অস্ত্র লুটের মামলা হয়। পরে র্যাব বিভিন্ন আস্তানায় হানা দিয়ে লুন্ঠিত ৯টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১১৫টি গুলিসহ কয়েকজনকে গ্রেফতার করতে সমর্থ হয়। তবে হাকিম ডাকাত রয়েছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।এরপর ২০১৬ সালে ৪ জুলাই টেকনাফ সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি সিরাজুল ইসলামকে (৬৫) গুলি করে হত্যার ঘটনায় হাকিমের জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে।

স্থানীয়রাসহ রোহিঙ্গারা অভিযোগ করেছে, পাহাড়ে আশ্রয়স্থল বানিয়ে খুন, ডাকাতি, ধর্ষণ, অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় ও মানবপাচার করছে এসব ডাকাত দল। তবে তাদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অভিযোগ তারা মিয়ানমার থেকে ইয়াবা এনে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় পাচার করছে। আর তাদের সহযোগিতা করছে প্রকাশ্যে থাকা রোহিঙ্গাদের একটা চক্র। এছাড়াও এসব ডাকাতদলের মাধ্যমে কোনও কোনও পাহাড়ে অস্ত্রের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এমনকি মুক্তিপণের টাকা না পেয়ে অপহৃতদের গুলি করে হত্যার নজিরও রয়েছে।

জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় লোকজন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।তাদের হাতে দেশি অস্ত্র ছাড়াও অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র রয়েছে। পাহাড়ে অপরাধের ‘রাজা’ বনে যান। হাকিম বাংলাদেশে আসার পর প্রথমে টেকনাফ উপজেলা পরিষদের পেছনের সরকারি বনভূমিতে ভবন তৈরি করে বসবাস করেন। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের মুখে অন্য জায়গায় সরে যান।

অভিযোগ রয়েছে, ২০১৯ সালের ৮ আগস্ট টেকনাফের পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালালে পুলিশের ওপর হামলা চালায় ডাকাত হাকিম বাহিনীর সদস্যরা। অভিযানে তার স্ত্রী হিসাবে পরিচিত টেকনাফের পল্লানপাড়া এলাকার রুবি আক্তার (৪০) ও ডাকাত হাকিমের ভাই কবির আহমদ (৩২) নিহত হয়।
টেকনাফের ভিআইপি প্রভাবশালীদের আশ্রয়ে হাকিম ডাকাতের বাড়বাড়ন্ত। নিজের অবস্থান শক্তিশালী করতে ছোট ভাই নজির আহমদকে বিয়ে দেন সাবেক এমপি আবদুর রহমান বদির মামাতো ভাই জাহাঙ্গীরের মেয়ের সঙ্গে।

নজির টেকনাফ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সিরাজুল ইসলাম হত্যা মামলার আসামি।
টেকনাফের গহীন অরণ্যে রয়েছে হাকিম ডাকাতের একাধিক আস্তানা। টেকনাফের ফকিরামুরা ও উড়নিমুরা নামে পরিচিত গহীন বনের বিশাল এলাকায় এসব আস্তানার অবস্থান। এখানে তার বাহিনীর অন্তত অর্ধশত অস্ত্রধারী ক্যাডারেরও বসতি রয়েছে। হাকিমের সঙ্গে সব সময় দুটি অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র থাকে। এছাড়া একাধিক দেহরক্ষী নিয়েও চলেন তিনি। উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন স্থানে আছে তার একাধিক সোর্স।

পাহাড়ের কোন স্থানে হাকিম কখন অবস্থান করেন তা কেউ জানেন না। বছর দুই-এক আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একবার অভিযান চালিয়ে তার আস্তানা থেকে একটি স্যাটেলাইট ফোনসেটও উদ্ধার করেছিল। তবে তাকে ধরা সম্ভব হয়নি। গত দুই বছরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্তত ১০ অভিযান চালালেও কৌশলে পালিশে যাওয়ায় তাকে ধরতে পারেনি।ডাকাতি, খুন, অপহরণ, ধর্ষণ, অবৈধ অস্ত্র ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা আবদুল হাকিমকে ধরতে দফায় দফায় অভিযান চালালেও বার বার পালিয়ে যেতে সক্ষম হন তিনি। সর্বশেষ পালিয়ে যান ২৬ জুনেও।

এদিন পুলিশ ওই আস্তানায় অভিযান চালালে হাকিম ডাকাতের ২ ভাই বশির ও হামিদসহ ৪ ডাকাত নিহত হয়।
নিহত অপর ২ জনের নাম রফিক ও রইঙ্গা। তবে এই অভিযানেও হাকিম ডাকাত পালিয়ে গেছে বলে জানা গেছে।এর আগে গত ডিসেম্বরে হাকিম ডাকাতকে গ্রেফতারে মরিয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।এবার শেষ টার্গেট তিনি। হয়তু শেষ রক্ষা হবে না তার। তাকে ধরিয়ে দিতে সর্বোচ্চ পুরস্কার ঘোষণা করেছে কক্সবাজার জেলা পুলিশ।রোহিঙ্গা হাকিম একসময়ে মিয়ারমারের ত্রাস। হত্যা,খুন, ধর্ষণ, চোরাচালান সহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ে মিয়ানমারেও ব্ল্যাক তালিকাভুক্ত ও মোস্টওয়ানটেড হিসেবে পরিচিতি পায়।

মিয়ানমারে মোস্ট ওয়ান্টেড হিসেবে তালিকাভুক্ত এই হাকিমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর একাধিক পতাকা বৈঠকেও আলোচনায় হয়েছে। মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবিকে হাকিমের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজারের পুলিশের এক কর্মকর্তা।অভিযোগ রয়েছে, টেকনাফের এক প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধি তার নিয়ন্ত্রণে রেখে মাদক ও চোরাচালান, দখল বেদখনসহ অপরাধ কাজে ব্যবহার করে আসছিল আবদুল হাকিম বাহিনীকে।

স্থানীয় জনগণ ও পুলিশ সুত্র মতে, এই আবদুল হাকিম বাহিনী মাদক চোরাচালানের পাশাপাশি আস্তে আস্তে দস্যুতা, টার্গেট করে অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়, চাঁদাবাজি, হত্যা ও নারী ধর্ষণের মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। সীমান্ত জনপদ টেকনাফ ও পাশ্ববর্তী উখিয়া উপজেলায়ও চলে আসে তার আধিপত্য। পুরো এলাকার মানুষের কাছে আবদুল হাকিম ডাকাত একমুর্তিমান আতংকের নাম হয়ে উঠে।
পুলিশের সুত্র মতে, এই আবদুল হাকিম ডাকাত ও তার বাহিনীকে ধরার জন্য গত দুই বছরের অধিক সময় ধরে চেস্টা চালিয়ে আসছে প্রশাসন। টেকনাফ হোয়াইক্যং এর গহীন পাহাড়ে আবদুল হাকিম ডাকাতকে ধরার জন্য ড্রোন উড়ানো, হেল্পিকপ্টার যোগে র্যাবের অভিযানের মতো দু:সাহসিক অভিযানও ইতোপূর্বে চলেছে। বার বার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে অধরাই থেকে যায় বাহিনী প্রধান আবদুল হাকিম ডাকাত।

তার অত্যচারে তটস্থ ছিল বাংলাদেশীরাও।
সুত্র মতে, বিভিন্ন সময় আবদুল হাকিমের উপস্থিতির খবর পেয়ে তাকে ধরতে গিয়ে পুলিশ, র্যাব এর সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে রোহিঙ্গা আবদুল হাকিম ডাকাত দলের সদস্যরা। বন্দুক যুদ্ধে তার বাহিনীর অসংখ্য সদস্য নিহত হন। পুলিশ ও র্যাব সদস্যরাও আহত হন।

কক্সবাজার পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বিপিএম বার বলেন, আবদুল হাকিম ডাকাত অপহরণ, ডাকাতি চাঁদাবাজি, চাঁদাবাজির জন্য খুব এবং মাদক পাচারের সাথেও ছিল। আগে এক সময় ডাকাতি করতো, গত দুয়েক বছর ধরে শুধু ডাকাতিই নয় অপহরণ, মুক্তি পণ আদায় ও খুনের সাথে জড়িত। আবদুল হাকিম ডাকাত ও তার বাহিনীর সদস্যদের অট্টালিকাগুলো প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।

পুলিশ সুপার আরো বলেন, হাকিম ডাকাতের বিরুদ্ধে ২৮টি মামলার পরেও অসংখ্য ঘটনা ঘটিয়েছে এই ডাকাত। তবে অনেক ভিকটিম, অনেক ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ তার ভয়ে মামলা করেনি।
তিনি আরো বলেন, সর্বশেষ বিভিন্ন ব্যক্তি, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রণী পেশার মানুষকে টার্গেট ভিত্তিক অপহরণ করে মুক্তির বিনিময়ে লাখ লাখ টাকা আদায় করেছে।

সর্বশেষ পাহাড়ে বসবাসরত নিরীহ এক পরিবারে মেয়েকে আবদুল হাকিম ডাকাত ও তার ভাইসহ ধর্ষণ করে। এব্যাপারে একটি ধর্ষণ মামলাও হয়। আবদুল হাকিম ডাকাত একজন অপহরণকারী, খুনি, ধর্ষক, অস্ত্র ব্যবসায়ী, মাদক পাচারকারী, মানবপাচারকারী।
পুলিশের সুত্র মতে, গত ডিসেম্বর মাসে সুনিদৃষ্ট গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আবদুল হাকিম ডাকাতকে ধরার জন্য পুলিশ সদস্যরা হোয়াইক্যং এর গভীর পাহাড়ে অভিযান চালায়। সেই সময়ও আবদুল হাকিম ডাকাত পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

এসময় হাকিম ডাকাতের দুই ভাই, এক ভগ্নিপতি ও হাকিম ডাকাতের স্ত্রী পুলিশের এনকাউন্টারে মারা যান। এছাড়া বিভিন্ন সময় পুলিশের সাথে এনকাউন্টারে অারো অসংখ্য সহযোগী মারা যান। তার আশপাশের ঢালপালাগুলো শেষ হয়ে গেছে। এখন হাকিম ডাকাত একা হয়ে গেছেন, অচিরেই তাকে গ্রেফতার করা হবে। পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বিপিএম বার। যে কেউ
তাকে ধরিয়ে দিতে পারলে পুলিশের সর্বোচ্চ পুরস্কার প্রদানের ঘোষণাও দিয়েছেন পুলিশ সুপার।
সুত্রমতে, হাকিম যে পাহাড়ি এলাকায় থাকেন সেই এলাকায় বসতিগুলোর বিরাট একটা অংশ পুরাতন রোহিঙ্গা। যারা বিভিন্ন সময় বাংলাদেশে এসেছে, বিভিন্ন কৌশলে বনবিভাগের জমিতে বসতি গড়ে তুলেছে।

সেখানে কিছু চামকা জনগোষ্ঠী আছে, তারাও বসবাস করে। রোহিঙ্গা এবং চাকমা জনগোষ্ঠীর সহযোগীতা নিয়ে পাহাড়ে পাহাড়ে অবস্থান করে। কখনো কখনো এদের সহযোগিতা জোরপুর্বকও নেয় বলে অভিযোগ।
তার বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় সাতটি হত্যা, ছয়টি অপহরণ, দুটি মাদক, দুইট ডাকাতি ও একটি ধর্ষণ মামলাসহ ২৮ টি মামলা রয়েছে|

NO COMMENTS

Leave a Reply