Home চট্টগ্রাম মসজিদে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে অনুদান প্রদানকালে মহান আল্লাহর প্রতি আনুগত্য ও...

মসজিদে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে অনুদান প্রদানকালে মহান আল্লাহর প্রতি আনুগত্য ও ধর্মীয় অনুশাসনই সংকট মুক্তির পথ_মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন

0 0

সি টি জি ট্রিবিউন চট্টগ্রাম -০৩ জুলাই-২০২০ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, অর্থ-বিত্ত-ক্ষমতার অহংকার,মানবতা ও প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশের প্রতি নির্দয় আচরণ এবং আল্লাহ-রাসুলের নির্দেশিত পথ সঠিকভাবে অনুসরণ করতে না পারায় আমরা বালা-মুছিবতের শিকার হচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, সকল রোগ-বালাই অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন ও অভ্যাসগত অসতর্ক চলাফেরার পরিণতি। অথচ আমরা অসচেতন, তাই যারা ঘুমের ভান করে শুয়ে আছি তাদেরকে কখনও জাগানো যায় না। মনে রাখতে হবে মহান আল্লাহর প্রতি আনুগত্য ও ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা সংকট মুক্তির পথ।

তিনি আজ শুক্রবার বাদ জুমা শাহ আমানত সেতু সংলগ্ন মেহেদী জামে মসজিদে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে অনুদান স্বরূপ ৩২ টি সিলিং ফ্যান প্রদানকালে এ-কথাগুলো বলেন। শুদ্ধাচারী জীবনযাপনকে স্বাস্থ্য নিরাপত্তার প্রধান বেষ্টনী হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, করোনা মোকাবেলায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার কথা বলা হচ্ছে, তা আমাদের ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্যেই নিহিত আছে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার আগে অজু করার বিধান রয়েছে,

যা পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার প্রধান অনুষঙ্গ। তিনি করোনাকালে মহল বিশেষের সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি ও নেতিবাচক সমালোচনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সবকিছুকে বাঁকা-চোখে দেখা একটি স্বাভাবগত অভ্যাস। আর যারা দলীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে সরকার বিরোধী তাদের বোঝা উচিত বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্বব্যাপী দল-মত নির্বিশেষে সকলকে ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিয়েছে এবং সমাধানটাও আসবে সর্বজনীন ভাবে।

পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার যা কিছু করছে তা যদি যথেষ্ট না হয় তাহলে সমালোচনার বদলে পরামর্শ থাকা উচিত। সরকারের বাইরেও নিজের যে দায়িত্ব থাকতে পারে তা ভুলে গেলে চলবে না। তিনি প্রসঙ্গক্রমে আরো বলেন, একপেশে ও ক্রস-চেক ছাড়া তথ্য যাচাই-বাছাই না করে সংবাদ পরিবেশনা প্রকৃত সত্যকে আড়াল করে এবং বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও জনমনে হতাশা বাড়ায়।

এটা কখনো বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষণ হতে পারে না। তিনি গণমাধ্যমে পিসি রোডের নির্মাণ ও সংস্কার কাজ নিয়ে পরিবেশিত সংবাদে তথ্য বিভ্রাট রয়েছে বলে উল্লেখ করে বলেন, কাজটি করার কথা জাইকার। তাদের পদ্ধতিগত জটিলতার কারণে এটা থেমে গেলে ২৭ মাস আগে কাজটি সিটি কর্পোরেশন শুরু করে। অথচ প্রতিবেদনে লেখা হয় ৪৭ মাসেও কাজটি শেষ হয়নি।

কাজ শেষ হয়নি মানে আমরা কী বসে আছি ? এই কাজটি এখন সমাপ্তির পথে এবং নভেম্বর মাসে কাজটি বুঝিয়ে দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এই কাজের এখন পর্যন্ত যে অগ্রগতি হয়েছে প্রতিবেদনে সে-সম্পর্কে কিছুই লেখা হয়নি। তাহলে এটাতো সঠিক তথ্য-উপাত্ত ছাড়া একটি অসম্পুর্ণ প্রতিবেদন। এসময় জামাল আহমদ, মোহাম্মদ নোমান আল মাহমুদ,

মেয়রের একান্ত সহকারি রায়হান ইউসুফ, মোহাম্মদ ঈসা,মোঃ সোলাইমান মোহাম্মদ বেলাল আহমেদ, হাসান মাহমুদ, মোহাম্মদ ইব্রাহীম, মোহাম্মদ জাকারিয়া ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ উপস্থিত ছিলেন।

NO COMMENTS

Leave a Reply