Home আইন ও আদালত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের আল্টিমেটাম ‘প্রতারণার শামিল’

বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের আল্টিমেটাম ‘প্রতারণার শামিল’

1 96

সম্প্রতি বিদ্যুৎ, খনিজ ও জ্বালানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, আগামী ৩০ জুনের মধ্যে গ্রাহকদের বকেয়া তিন মাসের বিদ্যুৎ বিল একসঙ্গে পরিশোধ করতে হবে। নয়তো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রতিমন্ত্রীর এমন নির্দেশকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে নির্দয় প্রতারণার শামিল বলে মন্তব্য করেছেন ভাড়াটিয়া পরিষদের সভাপতি মো. বাহারানে সুলতান বাহার।

আজ বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, আগামী ৩০ জুনের মধ্যে বকেয়া তিন মাসের বিদ্যুৎ বিল একসঙ্গে পরিশোধের নির্দেশ ও পরিশোধ না করলে পুনরায় বিলম্ব মাশুল ধার্য এবং বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের আল্টিমেটাম দিয়েছেন বিদ্যুৎ, খনিজ ও জ্বালানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী। এমন নির্দেশ সাধারণ মানুষের সঙ্গে নির্দয় প্রতারণার শামিল।

ভাড়াটিয়া পরিষদের সভাপতি বলেন, মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশ স্থবির হয়ে পড়েছে। মানুষের আয়-রোজগার প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। সাধারণ মানুষের পক্ষে খেয়ে-পড়ে বেঁচে থাকাই চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দিয়েছে। এমন অবস্থায় গ্রাহকদেরকে এভাবে বাধ্য করা কোনোভাবে মানবিক কাজ হতে পারে না।

তিনি বলেন, দেশে করোনার প্রাদুর্ভাবের শুরুতে সাধারণ মানুষকে বিদ্যুৎ বিল দিতে নিরুৎসাহিত করা হয়েছিল। তখন বলা হয়েছিল, গ্রাহকদের স্বার্থে গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিলের বিলম্ব মাশুল জুন পর্যন্ত মওকুফ করা হলো। পরে বিল পরিশোধ করলে কোনো সমস্যা হবে না। এতে করে মানুষও সরকারের কথায় আশাবাদী হয়ে বিল পরিশোধ করা থেকে বিরত থাকে।

কিন্তু দেশ স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরার আগে এভাবে মানুষকে একসঙ্গে বিল পরিশোধের আল্টিমেটাম দেয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের শামিল। একসঙ্গে এত বিল সাধারণ মানুষের ওপর বোঝা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। এমনকি কিছু কিছু জায়গায় ভুতুরে বিল আসলেও তা সমাধান করা হচ্ছে না, যোগ করেন সংগঠনটির এই নেতা।

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গ্রাহকের কথা চিন্তা করে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের সময়সীমা আরো বাড়ানো এবং বিলম্ব মাশুল সম্পূর্ণ মওকুফ করা হোক। তিন মাস পর প্রতিমাসের সঙ্গে এক মাস করে বিল যোগ করে পরিশোধের সুযোগ দেয়া হোক।

1 COMMENT

Leave a Reply