Breaking News
Home / সারাদেশ / সিডিএ বলছে অনুমতি নেই, ভবন মালিকরা বলছেন অনুমতি নিয়ে ভবন নির্মাণ করেছি।

সিডিএ বলছে অনুমতি নেই, ভবন মালিকরা বলছেন অনুমতি নিয়ে ভবন নির্মাণ করেছি।

সিডিএ বলছে অনুমতি নেই, ভবন মালিকরা বলছেন অনুমতি নিয়ে ভবন নির্মাণ করেছি।

 

রিপোর্ট হুমায়ুন কবির হিরু চট্টগ্রাম সিটিজি ট্রিবিউন চট্টগ্রাম;

 

চট্টগ্রামের সদরঘাট থানার মাঝিরঘাট এলাকায় হেলে পড়া ভবন দুটি নির্মাণের অনুমতি ছিল না বলে জানিয়েছেন সিডিএ কতৃপক্ষ। এদিকে খাল থেকে ১৫ ফুট দূরে বাড়ি করার কথা থাকলেও ওই এলাকার ভবন মালিকরা তা মানেননি বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। তাই আপাতত হেলে পড়া ভবনের ঝুঁকিপূর্ণ অংশ ভেঙে ফেলা হবে বলে জানিয়েছেন সিডিএর কর্মকর্তারা।

অন্যদিকে হেলে পড়া ভবনের মালিকরা বলছেন ভিন্ন কথা, তারা বলেন নিজস্ব জায়গায় সিডিএ এর অনুমতি নিয়েই তারা ভবন নির্মাণ করেছেন। তারা অভিযোগ করে বলেন জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় খাল খননের কাজে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় ভবন দুটি হেলে পড়েছে। ভবন হেলে পড়ার পর এখন তারা কেউ আত্মীয়-স্বজনের বাসায় আবার অনেকে আশ্রয়হীন ভাবে রয়েছেন।

এদিকে হেলে পড়া ভবনের ক্ষতিপূরণের দাবিতে এলাকাবাসী মাঝিরঘাট স্ট্যান্ড রোড অবরোধ করে ক্ষতিপূরণ দাবি করেন সেসময় এলাকায় প্রচণ্ড জ‍্যামের সৃষ্টি হয় খবর পেয়ে সচেতন নাগরিক সমাজ এর সদস্য সচিব সদরঘাট থানা আওয়ামীলীগ নেতা সাজ্জাদ হোসেন ঘটনাস্থলে পোছেন এবং উত্তেজিত জনতাকে সামাল দেয়ার চেষ্টা করেন মুহূর্তে তিনি সেখান থেকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সাথে যোগাযোগ করেন এবং পরের দিন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সাথে সবাইকে নিয়ে বসার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে অবরোধ তুলে নেয়া হয়।

পরেরদিন দু’পক্ষের সমঝোতা বৈঠকের পর ভবনের যুক্তিপূর্ণ অংশ ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেই সিডিএ কর্তৃপক্ষ। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের আর্থিক সহযোগিতার জন্য তৎক্ষণাৎ তিনি স্থানীয় এমপি এমএ লতিফের সাথেও যোগাযোগ করেন এবং পরবর্তীতে তাদের গৃহনির্মাণে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

তিনি আরো বলেন নগরের প্রত্যেকটা ভবন সিডিএ কিংবা সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন নয়, নগরীতে এমন অনেক ভবন রয়েছে যেগুলোর কোন অনুমোদন নেই,এখানে যদি ভবনগুলো অনুমোদনবিহীন হয় তাহলে তারা ট্যাক্স কিংবা খাজনা দিচ্ছে কি করে,

বছরের পর বছর তারা সরকারি টেক্স এবং খাজনা পরিশোধ করে যাচ্ছেন যদি তারা অবৈধ হতো তাহলে সেটি কখনো সম্ভব হতো না, উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষতি হলে তাতে করে সরকারের উন্নয়ন এবং ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে, তাই তিনি শুধু অজুহাত না দেখিয়ে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানান ক্ষতিগ্রস্থদের সহযোগিতা করার।

 

About Ayaz Ahmed

Check Also

জাতীয় শোক দিবসে দেশব্যাপী দুঃস্থদের মাঝে বিজিবির খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান

জাতীয় শোক দিবসে দেশব্যাপী দুঃস্থদের মাঝে বিজিবির খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান   …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *