Breaking News
Home / সারাদেশ / সার্বজনীন রাজনীতিক সৈয়দ আশরাফের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ

সার্বজনীন রাজনীতিক সৈয়দ আশরাফের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ

সার্বজনীন রাজনীতিক সৈয়দ আশরাফের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ

মোহাম্মদ মাসুদ চট্টগ্রাম।

সৈয়দ আশরাফের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সফল সাধারণ সম্পাদক,আমৃত্যু সভাপতি মন্ডলীর সদস্য, বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সফল মন্ত্রী এবং জাতীয় সংসদ সদস্য, জাতীয় চার নেতার অন্যতম সৈয়দ নজরুল ইসলামের সন্তান,মরহুম সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা।

সোমবার (৩ জানুয়ারি)। ২০১৯ সালের এই দিনে ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন তিনি। এ উপলক্ষে বনানী কবরস্থানে সোমবার শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সৈয়দ আশরাফ স্মৃতি সংসদ।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন কর্মী হিসেবে আমরা গর্বিত সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মতো একজন নেতা আমাদের ছিলো। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার বিশ্বাস, আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন তিনি প্রতিনিয়ত।

শেখ হাসিনার কর্মী হিসেবেই তিনি চিরবিদায় নিয়েছেন, বাংলাদেশের আনাচে কানাচে নিজের ব্যক্তিগত কর্মচারি সৃষ্টি করেন নাই। সার্বজনীন রাজনীতি করেছেন, গভীর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষণের প্রজ্ঞা ছিলো তার মধ্যে, শতভাগ সততা আর নিষ্ঠার সাথে রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালন করেছেন।

সৈয়দ আশরাফ ১৯৫২ সালের ১ জানুয়ারি ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন। ছাত্র জীবনে ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন সৈয়দ আশরাফ। স্বাধীনতার পর তিনি ময়মনসিংহ জেলার ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এছাড়া তিনি ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-প্রচার সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নেন। তিনি মুক্তিবাহিনীর একজন সদস্য ছিলেন। ভারতের দেরাদুনে প্রশিক্ষণ নেন তিনি।

জাতীয় চার নেতার সঙ্গে পিতা সৈয়দ নজরুল ইসলামের নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর যুক্তরাজ্য চলে যান সৈয়দ আশরাফ। প্রবাস জীবনে তিনি যুক্তরাজ্যে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। আশরাফুল ইসলাম ১৯৯৬ সালে দেশে ফিরে আসেন এবং কিশোরগঞ্জ সদর আসন থেকে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ সময় তিনি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০১ সালের ১ অক্টোবরে অনুষ্ঠিত অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় তিনি নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের নির্বাচনেও তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৫ সালের ১৬ জুলাই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। ২০১৮ সালের ৩০ জানুয়ারির নির্বাচনে তিনি জয়লাভ করলেও শপথ গ্রহণের আগেই তিনি মারা যান।

ওয়ান ইলেভেনের সময় দলীয় সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্রেফতার হওয়ার পর আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত রাখতে সৈয়দ আশরাফ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ওই সময় তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। পরে ২০০৯ সালের সম্মেলনে তিনি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০১৬ সাল পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করেন। পরে দলের সভাপতিমণ্ডলির সদস্য নির্বাচিত হন

সার্বজনীন রাজনীতি করেছেন,গভীর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষণের প্রজ্ঞা ছিলো তার মধ্যে, শতভাগ সততা আর নিষ্ঠার সাথে রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালন করেছেন।

আশরাফুল ইসলামের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।

 

About Ayaz Ahmed

Check Also

জেলহত্যা দিবসে দুস্থদের মাঝে ‘স্বপ্ন উচ্ছ্বাস সংঘ’র খাবার বিতরণ

জেলহত্যা দিবসে দুস্থদের মাঝে ‘স্বপ্ন উচ্ছ্বাস সংঘ’র খাবার বিতরণ প্রেস বিজ্ঞপ্তি:জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে জাতীয় …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *