সিটিজি ট্রিবিউন ডটকম ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৩, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চবি ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী সমিতির অভিষেক রাজনৈতিক দলের সাথে সংলাপ হয়, আগুনসন্ত্রাসীদের সাথে নয় : তথ্যমন্ত্রী সিটিজিট্রিবিউনের নির্বাহী সম্পাদক আয়াজ আহমেদ সানি’র মায়ের মৃত্যু অসুস্থ মায়ের জন্য দোয়া চাইলেন : সাংবাদিক আয়াজ আহমদ সানি অনিয়মের অভিযোগে লক্ষ্মীপুর-৩ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের উপনির্বাচনের ফলাফলের গেজেট স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন বান্দরবান জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের আত্ন-প্রকাশ আগামীকাল চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আন্তজার্তিক পণ্ডিত বিহার বিশ্ববিদ্যালয়’ স্থাপনের যৌক্তিকতা শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন ঢাকার বাড্ডায় ‘সেলুন পাঠাগার বিশ্বজুড়ে’র বুক সেলফ বিতরণ মা হওয়ার ইচ্ছা ছিল অঙ্কিতার, ‘বিগ বস’-এ ভিকির সঙ্গে অশান্তির পরে কি ভেস্তে যাবে সব? দূর্গাপূজা উপলক্ষে র‍্যাবের রোবাস্ট পেট্রোলিং ও চেকপোস্ট
রাজনীতির সকল সংবাদ ::
বেইমান-দালাল’ স্লোগানের মুখে আদালত ছাড়লেন শাহজাহান ওমর জামিন পাননি বিএনপির আমীর খসরু-স্বপন-প্রিন্স রাজনীতি জাতীয় সংসদ নির্বাচন সরকারের আশ্বাসেই নির্বাচনে এসেছি: জাপা মহাসচিব ৭ ও ৮ ডিসেম্বর অবরোধ এবার বিএনপির নতুন কর্মসূচি ঘোষণা খালেদা জিয়াসহ ১০ আসামির অভিযোগ গঠন শুনানি ২৪ মার্চ জামায়াতের আমিরসহ ৭২ জনের বিচার শুরু যারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, তাদের কাউকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে না: ওবায়দুল কাদের ‘ডামি নির্বাচন’ বাতিল করতে হবে: আ স ম রব ‘গণতন্ত্রের লড়াইয়ে বিএনপি অবশ্যই বিজয়ী হবে’ পিটার হাস মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে তার আচরণের সীমা মেনে চলবেন: ওবায়দুল কাদের

সরকারের সিংহাসন টলোমলো: রিজভী

  • kamal Uddin khokon
  • আপডেট সময় : ১২:০৮:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২২
  • ৬২১ বার পড়া হয়েছে

সরকারের সিংহাসন টলোমলো: রিজভী

সিটিজিট্রিবিউন: বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, অবৈধ আওয়ামী লীগ সরকারের সিংহাসন টলোমলো করছে। তাদের পতন অত্যাসন্ন। এই পতন কেউ ঠেকাতে পারবে না। রোববার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী টিভিতে কথায় কথায় চোখের পানি ফেলেন। আসলে সেটা হচ্ছে তার মায়াকান্না বা টিয়ার্স অব ক্রোকোডাইল। অন্যের কষ্টে তিনি অশ্রু ঝরান না। আসলে তার ওপর ভর করছে ইয়াহিয়া ও টিক্কা খানের আত্মা। তা না হলে তিনি অধ্যাপক তাজমেরী এসএ ইসলামকে গ্রেফতার করতেন না। ১৪ ডিসেম্বর আমরা বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করি। আগামীতে আমরা ১৪ ডিসেম্বর ‘বুদ্ধিজীবী নির্যাতন দিবস’ পালন করবো।

বিএনপির এই নেতা বলেন, এখন যে পরিবারগুলো গুম হয়েছে, তাদের বাড়িতে বাড়িতে পুলিশ পাঠাচ্ছেন, নিজেরা স্টেটমেন্ট লিখেছেন। সরকারের পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী স্টেটমেন্ট লিখে বলছে যে, এখানে সই করো? এটা কী? বলা হচ্ছে যে, আমার ছেলে বা আমার স্বামী সে নিজে নিজেই হারিয়ে গেছে। পুলিশ লিখে নিয়ে যাচ্ছে আর ওখানে (স্টেটমেন্টে) সই করতে বলছে পরিবারকে। পুলিশের হুমকির মুখে কজন টিকবে? অনেকে প্রতিবাদ করেছে যে, না আমরা জানি, কিভাবে তাদেরকে গুম করা হয়েছে। এখন এই ধরনের একটি প্রচেষ্টা সরকার নিয়েছেন, যাতে বিশ্বকে দেখানো যায় যারা গুম হয়েছে, তারা নিজে নিজে হারিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, আসলে তো কোনো কিছু আটকিয়ে রাখা যায় না। আটকিয়ে রাখায় যায় না বলেই বিএনপি ব্যস্ত থাক তাজমেরী এস এ ইসলামকে নিয়ে, বিএনপি ব্যস্ত থাক দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে। আর ফাঁক দিয়ে আমরা (সরকার) এই কাজগুলো করি। কারণ চারিদিকে আজকে ধিক্কার উঠেছে, চারিদিকে আজকে সমালোচনা ঝড় বইছে। কিন্তু কোনো লাভ হবে না। পতন যখন অত্যাসন্ন হয় সেই পতনকে কেউ ঠেকাতে পারবে না।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আরও বলেন, এই প্রতিবাদী মানববন্ধন থেকে আমি এই মুহূর্তে তাজমেরী ইসলামের মুক্তি দাবি করছি। তাকে মুক্তি দিন। অন্যথায় এটাই অগ্নি স্ফুলিঙ্গের মতো আন্দোলনের এমন দাবানল তৈরি হবে সেই দাবানলে প্রধানমন্ত্রী আপনার র‌্যাব, আপনার পুলিশ, আপনাকে যারা পাহারা দেয় কেউ আর আপনাকে পাহারা দেবে না। আপনার পতন অবশ্যম্ভাবী হবেই।

ইউনির্ভাসিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইউট্যাব) উদ্যোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অধ্যাপক ড. তাজমেরী এস এ ইসলামের মুক্তির দাবিতে এই মানববন্ধন হয়।

ইউট্যাবের প্রেসিডেন্ট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খানের পরিচালনায় মানববন্ধনে বিএনপির অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদাদলের আহ্বায়ক অধ্যাপক লুৎফর রহমান, অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন খান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শামসুল আলম সেলিম, অধ্যাপক ড. কামরুল আহসান, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. আনিসুর রহমান, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক একেএম মতিনুর রহমান, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমজাদ হোসেন, জিয়া পরিষদের অধ্যাপক ডা. আবদুল কুদ্দুস, অধ্যাপক এমতাজ হোসেন, ডক্টরস অ্যসোসিয়েশনের (ড্যাব) অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদ, অ্যাগ্রিকালচারিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের অধ্যাপক গোলাম হাফিজ কেনেডি, শামীমুর রহমান শামীম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, ছাত্রদলের ফজলুর রহমান খোকন, ইকবাল হোসেন শ্যামল, রাকিবুল ইসলাম, আমানউল্লাহ আমান প্রমুখ বক্তব্য দেন।

এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আব্দুস সালাম, মো. আল-আমিন, অধ্যাপক ড. গোলাম রাব্বানী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. নূরুল ইসলাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক খান মো. মনোয়ারুল ইসলাম, অধ্যাপক তানভীর আহসান, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. বেলাল, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের প্রকৌশলী মাহবুব আলম, কেএম আসাদুজ্জামান চুন্নু, নোয়াখালী বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. সাইফুল ইসলামসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর মারপিটসহ দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানার এক মামলায় ১৩ জানুয়ারি অধ্যাপক তাজমেরী এস এ ইসলামকে গ্রেপ্তারের পর কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক। ।প্রতিবেদন:কেইউকে।

সোস্যাল মিডিয়া শেয়ার করুন
জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড থানার অস্ত্র মামলায় আসামি গ্রেফতার।

ডিপফেকের তালিকায় আরও এক নায়িকা! রশ্মিকা, আলিয়ার পরে এ বার শিকার প্রিয়ঙ্কা চোপড়া

সরকারের সিংহাসন টলোমলো: রিজভী

আপডেট সময় : ১২:০৮:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২২

সরকারের সিংহাসন টলোমলো: রিজভী

সিটিজিট্রিবিউন: বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, অবৈধ আওয়ামী লীগ সরকারের সিংহাসন টলোমলো করছে। তাদের পতন অত্যাসন্ন। এই পতন কেউ ঠেকাতে পারবে না। রোববার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী টিভিতে কথায় কথায় চোখের পানি ফেলেন। আসলে সেটা হচ্ছে তার মায়াকান্না বা টিয়ার্স অব ক্রোকোডাইল। অন্যের কষ্টে তিনি অশ্রু ঝরান না। আসলে তার ওপর ভর করছে ইয়াহিয়া ও টিক্কা খানের আত্মা। তা না হলে তিনি অধ্যাপক তাজমেরী এসএ ইসলামকে গ্রেফতার করতেন না। ১৪ ডিসেম্বর আমরা বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করি। আগামীতে আমরা ১৪ ডিসেম্বর ‘বুদ্ধিজীবী নির্যাতন দিবস’ পালন করবো।

বিএনপির এই নেতা বলেন, এখন যে পরিবারগুলো গুম হয়েছে, তাদের বাড়িতে বাড়িতে পুলিশ পাঠাচ্ছেন, নিজেরা স্টেটমেন্ট লিখেছেন। সরকারের পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী স্টেটমেন্ট লিখে বলছে যে, এখানে সই করো? এটা কী? বলা হচ্ছে যে, আমার ছেলে বা আমার স্বামী সে নিজে নিজেই হারিয়ে গেছে। পুলিশ লিখে নিয়ে যাচ্ছে আর ওখানে (স্টেটমেন্টে) সই করতে বলছে পরিবারকে। পুলিশের হুমকির মুখে কজন টিকবে? অনেকে প্রতিবাদ করেছে যে, না আমরা জানি, কিভাবে তাদেরকে গুম করা হয়েছে। এখন এই ধরনের একটি প্রচেষ্টা সরকার নিয়েছেন, যাতে বিশ্বকে দেখানো যায় যারা গুম হয়েছে, তারা নিজে নিজে হারিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, আসলে তো কোনো কিছু আটকিয়ে রাখা যায় না। আটকিয়ে রাখায় যায় না বলেই বিএনপি ব্যস্ত থাক তাজমেরী এস এ ইসলামকে নিয়ে, বিএনপি ব্যস্ত থাক দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে। আর ফাঁক দিয়ে আমরা (সরকার) এই কাজগুলো করি। কারণ চারিদিকে আজকে ধিক্কার উঠেছে, চারিদিকে আজকে সমালোচনা ঝড় বইছে। কিন্তু কোনো লাভ হবে না। পতন যখন অত্যাসন্ন হয় সেই পতনকে কেউ ঠেকাতে পারবে না।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আরও বলেন, এই প্রতিবাদী মানববন্ধন থেকে আমি এই মুহূর্তে তাজমেরী ইসলামের মুক্তি দাবি করছি। তাকে মুক্তি দিন। অন্যথায় এটাই অগ্নি স্ফুলিঙ্গের মতো আন্দোলনের এমন দাবানল তৈরি হবে সেই দাবানলে প্রধানমন্ত্রী আপনার র‌্যাব, আপনার পুলিশ, আপনাকে যারা পাহারা দেয় কেউ আর আপনাকে পাহারা দেবে না। আপনার পতন অবশ্যম্ভাবী হবেই।

ইউনির্ভাসিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইউট্যাব) উদ্যোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অধ্যাপক ড. তাজমেরী এস এ ইসলামের মুক্তির দাবিতে এই মানববন্ধন হয়।

ইউট্যাবের প্রেসিডেন্ট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খানের পরিচালনায় মানববন্ধনে বিএনপির অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদাদলের আহ্বায়ক অধ্যাপক লুৎফর রহমান, অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন খান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শামসুল আলম সেলিম, অধ্যাপক ড. কামরুল আহসান, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. আনিসুর রহমান, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক একেএম মতিনুর রহমান, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমজাদ হোসেন, জিয়া পরিষদের অধ্যাপক ডা. আবদুল কুদ্দুস, অধ্যাপক এমতাজ হোসেন, ডক্টরস অ্যসোসিয়েশনের (ড্যাব) অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদ, অ্যাগ্রিকালচারিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের অধ্যাপক গোলাম হাফিজ কেনেডি, শামীমুর রহমান শামীম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, ছাত্রদলের ফজলুর রহমান খোকন, ইকবাল হোসেন শ্যামল, রাকিবুল ইসলাম, আমানউল্লাহ আমান প্রমুখ বক্তব্য দেন।

এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আব্দুস সালাম, মো. আল-আমিন, অধ্যাপক ড. গোলাম রাব্বানী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. নূরুল ইসলাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক খান মো. মনোয়ারুল ইসলাম, অধ্যাপক তানভীর আহসান, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. বেলাল, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের প্রকৌশলী মাহবুব আলম, কেএম আসাদুজ্জামান চুন্নু, নোয়াখালী বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. সাইফুল ইসলামসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর মারপিটসহ দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানার এক মামলায় ১৩ জানুয়ারি অধ্যাপক তাজমেরী এস এ ইসলামকে গ্রেপ্তারের পর কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক। ।প্রতিবেদন:কেইউকে।