Breaking News
Home / আন্তর্জাতিক / ঝুঁকিপূর্ণ’ কূটনৈতিক মিশনে মস্কো যাচ্ছেন ম্যাক্রোঁ

ঝুঁকিপূর্ণ’ কূটনৈতিক মিশনে মস্কো যাচ্ছেন ম্যাক্রোঁ

‘ঝুঁকিপূর্ণ’ কূটনৈতিক মিশনে মস্কো যাচ্ছেন ম্যাক্রোঁ

সিটিজিট্রিবিউন: ইউক্রেন নিয়ে রাশিয়া ও পশ্চিমাদের চরম উত্তেজনার মধ্যেই মস্কো সফরে যাচ্ছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।

স্থানীয় সময় সোমবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাশিয়া সফর করবেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট।

তার এই সফরকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ কূটনৈতিক মিশন হিসেবে দেখা হচ্ছে। কেননা যদি এতে ব্যর্থ হন, তাহলে ইউরোপে তার কর্তৃত্ব অনেকটাই কমে যেতে পারে।

ইউক্রেন আক্রমণে রাশিয়া প্রায় সব প্রস্তুতি শেষ করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের এমন দাবির মধ্যে ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর মস্কো সফরে অনেক গুরুত্ব রয়েছে।

ফরাসি সরকারের একটি সূত্র বলছে, ইউরোপে নেতৃত্ব দেখাতে ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর জন্য একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে। তাই তিনি সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করবেন ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। তিনি বিষয়টির কূটনৈতিক সমাধানের চেষ্টা করতেই এই সফর করছেন।

এর আগে গত সপ্তাহে পশ্চিমা মিত্র, ভ্লাদিমির পুতিন ও ইউক্রেনের নেতাদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। মস্কো সফরের বিষয়ে মঙ্গলবার তিনি কিয়েভ নিয়ে বিস্তারিত কথা বলবেন।

ম্যাক্রোঁর ঘনিষ্ঠ দুটি সূত্র জানিয়েছে, এই সফরে আগামী কয়েক মাস ইউরোপের পরিস্থিতি শান্ত রাখতে চাইবেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট। বিশেষ করে এপ্রিলে ফ্রান্সের নির্বাচনের আগপর্যন্ত। কেননা এই নির্বাচনের জন্য হাঙ্গেরি, স্লোভেনিয়া ও ফ্রান্সে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ম্যাক্রোঁর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ২০১৭ সালে ফ্রান্সের ক্ষমতায় আসেন। এরপর কূটনৈতিকভাবে নানা উদ্যোগ নিয়ে খ্যাতি অর্জন করেন। তিনি গত পাঁচ বছরে পুতিনকে মোকাবিলা করার চেষ্টা করেছেন। তার প্রচেষ্টা রাশিয়ান নেতার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সংলাপের পাশাপাশি বেদনাদায়ক বিপত্তিও এনেছে।

সেই নির্বাচনের পরপরই ভার্সাই প্রাসাদে পুতিনের জন্য লাল গালিচা সংবর্ধনা দিয়েছিলেন ম্যাক্রোঁ। এর দুই বছর পর পুতিন-ম্যাক্রোঁ ফরাসি প্রেসিডেন্টের গ্রীষ্মকালীন বাসভবনে দেখা করেন।

ফরাসি প্রেসিডেন্টের এবারের রাশিয়া সফর ঠিক কতটা ফলপ্রসূ হবে, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। কেননা এর আগে আফ্রিকায় রাশিয়ার আগ্রাসন ঠেকাতে পারেনি ফ্রান্স।

সোভিয়েত শাসনের অধীনে কয়েক দশক ধরে সমস্যায় থাকা পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলো রাশিয়ার প্রতি ম্যাক্রোঁর সহযোগিতামূলক অবস্থানের সমালোচনা করেছে। তাই রাশিয়ার সঙ্গে একটি ‘নতুন ইউরোপীয় নিরাপত্তা আদেশ’ নিয়ে কথা বলতে চাইছেন ম্যাক্রোঁ।

ফ্রান্সের সবশেষ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তিন মাসেরও কম সময় আগে ম্যাক্রোঁ রাশিয়া ও ইউক্রেন সফরে গিয়েছিলেন। এবারের সফরেও তাই সম্ভাব্য নির্বাচনে সুবিধা পাওয়ার বিষয়টি দেখছেন তার রাজনৈতিক উপদেষ্টারা। যদিও ম্যাক্রোঁ এখনো ঘোষণা দেননি, তিনি নির্বাচনে অংশ নেবেন কি না।

যুক্তরাষ্ট্র প্রথম থেকে অভিযোগ করে আসছে, ইউক্রেন দখলে নিতে দেশটির সীমান্তের কাছে অন্তত ১ লাখ সৈন্য মোতায়েন করেছে রাশিয়া। কিন্তু প্রথম থেকেই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে মস্কো।

রাশিয়ান সৈন্যরা সামরিক মহড়া দিতেই ওই অঞ্চলে রয়েছে বলে জানিয়েছে মস্কো। একই সঙ্গে দেশটি বলছে, ইউক্রেনকে ন্যাটোতে যোগ দেওয়া উচিত নয়।

তবে ইউক্রেন ও তার পশ্চিমা মিত্ররা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, ক্রেমলিন একটি আক্রমণ শুরু করার সব ধরনের পরিকল্পনা করেছে।

ধারণা করা হচ্ছে, ইউক্রেনে রাশিয়া আক্রমণ করলে অন্তত ৫০ হাজার বেসামরিক মানুষ নিহত হতে পারে। এই আগ্রাসনের ফলে ইউপোরে ঢল নামবে শরণার্থীদের।

প্রসঙ্গত, ইউক্রেন নিয়ে আঞ্চলিক বিবাদের বাইরেও বিশ্বের ক্ষমতাধর বিভিন্ন দেশ নিজস্বতা টিকিয়ে রাখতে তাদের ক্ষমতা দেখাতে চাইছে। আফগানিস্তানে সৈন্য প্রত্যাহার-পরবর্তী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের পরাজয়, আঙ্গেলা মেরকেল পরবর্তী জার্মানি, ব্রেক্সিট-পরবর্তী ব্রিটেন এবং বসন্তে প্রাক-নির্বাচনের সামনে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। এসব কিছু নিয়ে নতুন সমীকরণে বিশ্ব। ফরাসি সরকারের একটি সূত্র বলছে, ইউরোপে নেতৃত্ব দেখাতে ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর জন্য একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে। তাই তিনি সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করবেন ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। তিনি বিষয়টির কূটনৈতিক সমাধানের চেষ্টা করতেই এই সফর করছেন।

এর আগে গত সপ্তাহে পশ্চিমা মিত্র, ভ্লাদিমির পুতিন ও ইউক্রেনের নেতাদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। মস্কো সফরের বিষয়ে মঙ্গলবার তিনি কিয়েভ নিয়ে বিস্তারিত কথা বলবেন।

ম্যাক্রোঁর ঘনিষ্ঠ দুটি সূত্র জানিয়েছে, এই সফরে আগামী কয়েক মাস ইউরোপের পরিস্থিতি শান্ত রাখতে চাইবেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট। বিশেষ করে এপ্রিলে ফ্রান্সের নির্বাচনের আগপর্যন্ত। কেননা এই নির্বাচনের জন্য হাঙ্গেরি, স্লোভেনিয়া ও ফ্রান্সে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ম্যাক্রোঁর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ২০১৭ সালে ফ্রান্সের ক্ষমতায় আসেন। এরপর কূটনৈতিকভাবে নানা উদ্যোগ নিয়ে খ্যাতি অর্জন করেন। তিনি গত পাঁচ বছরে পুতিনকে মোকাবিলা করার চেষ্টা করেছেন। তার প্রচেষ্টা রাশিয়ান নেতার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সংলাপের পাশাপাশি বেদনাদায়ক বিপত্তিও এনেছে। ।প্রতিবেদন:কেইউকে

About kamal Uddin khokon

Check Also

ইরানের হামলার জবাবে ইসরায়েল যদি ইরানে পাল্টা হামলা চালানোর পরিকল্পনা করে তবে সেই কাজে সাহায্য করবে না ওয়াশিংটন

ইরানের হামলার জবাবে ইসরায়েল যদি ইরানে পাল্টা হামলা চালানোর পরিকল্পনা করে তবে সেই কাজে সাহায্য …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *