Breaking News
Home / আইন বিচার / অর্থ আত্মসাৎকারী ০৭ বিদেশী নাগরিকসহ সংঘবদ্ধ আন্তর্জাতিক প্রতারক চক্রের ০৯ সদস্য’কে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৪,

অর্থ আত্মসাৎকারী ০৭ বিদেশী নাগরিকসহ সংঘবদ্ধ আন্তর্জাতিক প্রতারক চক্রের ০৯ সদস্য’কে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৪,

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বন্ধুত্ব করে মূল্যবান উপহার (পার্সেল) পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে অভিনব কায়দায় প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমান অর্থ আত্মসাৎকারী ০৭ বিদেশী নাগরিকসহ সংঘবদ্ধ আন্তর্জাতিক প্রতারক চক্রের ০৯ সদস্য’কে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৪,

 

আয়াজ সানি সিটিজি ট্রিবিউন ঢাকা;

 

ইতোপূর্বে টাকাকে ডলারে রুপান্তরিত করা ও পার্সেল পাঠিয়ে বিপুল পরিমান টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে এবং মাদকসহ ১৫-২০ জন বিদেশী নাগরিক’কে র‍্যাব-৪ কর্তৃক গ্রেফতার করা হয়।

বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয় ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপন করে দামি উপহার পাঠানোর লোভ দেখিয়ে অভিনব পদ্ধতিতে সাধারণ জনগণের কাছ থেকে বিপুল পরিমান টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিলো একটি সংঘবদ্ধ চক্র।

 

সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে গত ১১ জানুয়ারি ২০২২ তারিখ রাত ১১;৩০ ঘটিকা হতে অদ্য ১২ জানুয়ারি ২০২২ তারিখ সকাল ০৬.৫০ ঘটিকা পর্যন্ত র‍্যাব-৪,এর একটি আভিযানিক দল র‍্যাব-৮ এর সহযোগীতায় রাজধানীর পল্লবী থানা, রুপনগর থানা এবং দক্ষিণখান থানাধীন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে দামী পার্সেল পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে বিপুল পরিমান অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ০৮ টি পাসেপোর্ট, ৩১ টি মোবাইল, ০৩ টি ল্যাপটপ, ০১ টি চেক বই, ০৩ টি পেনড্রাইভ এবং নগদ ৯৫,৮১৫ টাকাসহ সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের ০৭ জন বিদেশী নাগরিকসহ নিম্নোক্ত ০৯ জন প্রাতরক’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়ঃ

(1) Udeze Obinna Ruben (42), দেশ-নাইজেরিয়া।
(2) Ntombikhona Gebuza (36), দেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা।
(3) Ifunanya Vivian Nnawuike (31), দেশ-নাইজেরিয়া।
(4) Sunday Shederack Ejim (32), দেশ-নাইজেরিয়া।
(5) Chinedu Moses Nnaji (36), দেশ-নাইজেরিয়া।
(6) Collims Ifesinachi Talike (30), দেশ-নাইজেরিয়া।
(7) Chidimma Ebele Eylofor (26), দেশ-নাইজেরিয়া।
(8) মোঃ নাহিদুল ইসলাম (৩০), জেলা-ফেনী।
(9) সোনিয়া আক্তার (৩৩), জেলা-নরসিংদী।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, তারা সংঘবদ্ধ ভাবে দীর্ঘদিন যাবৎ অভিনব কায়দায় বিপরীত লিঙ্গের ব্যক্তিদের সাথে বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম-ম্যাসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমো, ফেসবুক ইত্যাদি এর দ্বারা নিজেদেরকে পশ্চিমা বিশ্বের উন্নত দেশের নাগরিক হিসেবে প্রকাশ করে। পরবর্তীতে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরির পর এক পর্যায়ে দামি উপহার বাংলাদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার জাল বিছানো হয়।

 

এক পর্যায়ে বাংলাদেশের কাস্টমস্ অফিসার পরিচয়ে এক নারী ভিকটিমকে ফোন করে বলে তার নামে একটি পার্সেল বিমানবন্দরে এসেছে। উক্ত পার্সেলটি ডেলিভারি করতে কাস্টমস্ চার্জ হিসেবে মোটা অংকের টাকা বিকাশ/ব্যাংক এ্যাকাউন্ট নাম্বারে পরিশোধ করতে বলা হয়। যেহেতু পার্সেলে অতি মূল্যবান দ্রব্যসামগ্রী রয়েছে তাই কাস্টমস্ চার্জ একটু বেশী হয়েছে বলে তাদেরকে বুঝানো হয়। সন্দেহ বশতঃ কোন প্রতারিত ব্যক্তি সরাসরি টাকা প্রদান করতে বা দেখা করতে চাইলে প্রতারকরা এসএমএস এর মাধ্যমে জানায় যে, ঐ মুহুর্তে তারা বিদেশে অবস্থান বা জরুরী কোন মিটিং এ আছেন।

বাংলাদেশী সহজ সরল মানুষ তাদের কথায় প্রলুব্ধ হয়ে সংশ্লিষ্ট বিকাশ/ব্যাংক একাউন্টে টাকা পাঠিয়ে প্রতারিত হয়ে আসছে। প্রতারিত ব্যক্তি অর্থ পরিশোধ করার পর তার নামে প্রেরিত পার্সেলটি সংগ্রহ করার জন্য বিমানবন্দরে সংশ্লিষ্ট অফিসে গিয়ে দেখে যে, তার নামে কোন পার্সেল আসে নাই। তখন প্রতারিত ভিকটিম পার্সেল প্রেরণকারী বিদেশী বন্ধুর সাথে বারংবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাকে আর পাওয়া যায়না। তখন বুঝতে পারে, সে ভয়াবহ প্রতারণার শিকার হয়েছে। এই দৃশ্য ধৃত আসামীদের দ্বারা প্রতারিত এদেশীয় অজস্র সাধারণ মানুষের অনুচিত্র মাত্র।

প্রতারণার কৌশলঃ গ্রেফতারকৃত প্রতারক সদস্যরা নিম্নোক্ত কৌশল অবলম্বন করে জন সাধারণের সাথে প্রতারণা করে আসছিলঃ

১)টার্গেট নির্ধারণঃ গ্রেফতারকৃত আসামীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মেয়েদের নামে ভ‚য়া আইডি খুলে বিভিন্ন প্রোফাইল ঘেটে ঘেটে বড় বড় ব্যাবসয়ী, হাই প্রোফাইল চাকুরীজিবীসহ উচ্চবিত্ত মানুষদের’কে ভিকটিম হিসেবে টার্গেট করে থাকে।

২)বন্ধুত্ব স্থাপনঃ ভিকটিম নির্ধারণ করার পর তাদেরকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে ভিকটিমদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করে। ভিকটিমদের কাছে নিজেকে পশ্চিমা বিশে^র উন্নত দেশের সামরিক বাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর উর্দ্ধতন কর্মকর্তা পরিচয় দেয়। ভিকটিমকে বিভিন্ন সময়ে উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তার ভ‚য়া ছবি পাঠায় বিশ্বাস স্থাপনের জন্য। সম্পর্কের এক পর্যায়ে বিভিন্নভাবে ভিকটিম’কে তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপনে প্রলুব্ধ করে থাকে।

৩) নিজের অসহায়ত্বের কথা প্রকাশঃ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার পর প্রতারকরা জানায় তাদের কাছে বিপুল পরিমান ডলার বা বৈদেশিক মুদ্রা রয়েছে কিন্তু তারা তা খরচ বা নিজেদের দেশে নিতে পারছে না। প্রতারকরা সেই ডলার বা বৈদেশিক মুদ্রা ভিকটিমের কাছে পাঠাতে চায় এবং বলে তোমার কাছে রেখে দিও পরবর্তীতে আমি নিব। চাকুরীজীবিদের বলে তাদের দিয়ে জনসেবামূলক কাজে প্রচুর পরিমান অর্থ ব্যায় করবে এবং এতে তারা একটি নিদৃষ্ট হারে কমিশন পাবেন। আর যারা ব্যবসায়ী তাদেরকে বুঝায় তার ব্যবসায় অর্থ লগ্নি করবে এবং সে ৩৫-৪৫% কমিশন পাবেন। এতে করে সহজ সরল মানুষ প্রলুব্ধ হয়ে তাদের কথায় বিশ্বাস স্থাপন করে প্রতারিত হয়।

৪)উপহার প্রদানঃ ভিকটিমকে আকৃষ্ট করতে প্রতারক চক্রটি বিভিন্ন উপহার পাঠানোর প্রলোভন দেখায় এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তার নাম ঠিকানা নিয়ে ছোট ছোট উপহার পাঠায়। উপহার পেয়ে ভিকটিম বিশ্বাস স্থাপন করে এবং এক পর্যায়ে প্রতারক চক্রের সদস্যরা বলে আমি তোমার নামে একটি দামী পার্সেল পাঠিয়ে দিয়েছি।

৫)অর্থ সংগ্রহঃ পার্সেল পাঠানোর কিছুদিন পর তাদের বাংলাদেশীয় নারী সহযোগী বিমানবন্দর কাস্টমস্ অফিসার পরিচয়ে ভিকটিমকে ফোন করে বলে তার নামে একটি পার্সেল বিমানবন্দরে এসেছে। উক্ত পার্সেলটি ডেলিভারি করতে কাস্টমস্ চার্জ হিসেবে মোটা অংকের টাকা বিকাশ/ব্যাংক এ্যাকাউন্ট নাম্বারে পরিশোধ করতে বলা হয়। যেহেতু পার্সেলে অতি মূল্যবান দ্রব্যসামগ্রী রয়েছে এবং এভাবে বিদেশ থেকে কোন পার্সেল দেশে আনা আইনসিদ্ধ নয় তাই চার্জ একটু বেশী দিতে হবে। নকল টিন সার্টিফিকেট ও অন্যান্য কাগজ বানাতে অনেক অর্থের প্রয়োজন হবে। কেউ কেউ টাকা না দিতে চাইলে তাদেরকে মামলার ভয়ভীতি দেখায়। একপর্যায়ে বাংলাদেশী সহজ সরল মানুষ তাদের কথায় প্রলুব্ধ হয়ে / মামলার ভয়ে সংশ্লিষ্ট বিকাশ/ব্যাংক একাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দেয়। এভাবে সাধারণ মানুষ প্রতারিত হয়ে আসছে।

গ্রেফতারকৃত আন্তর্জাতিক প্রতারক চক্রের বিদেশী নাগরিকেরা ভ্রমণ ভিসায় বাংলাদেশে এসে রাজধানী ঢাকার পল্লবী, রুপনগর ও দক্ষিণখান এলাকায় ভাড়া বাসায় অবস্থান করে গার্মেন্টস ব্যাবসা শুরু করে। গার্মেন্টস ব্যাবসার আড়ালে তারা বাংলাদেশী সহযোগীদের নিয়ে এ অভিনব প্রতারণার সাথে জড়িয়ে পড়ে। তাদের অনেকেরই ভিসার মেয়াদ শেষ এবং গ্রেফতাকরকৃত ০২ জনের নামে পূর্বের মামলা রয়েছে। গ্রেফতারকৃত সোনিয়া আক্তার ও নাহিদুল ইসলাম এই আন্তর্জাতিক চক্রের এ দেশীয় সহযোগী। মূলত তাদের মাধ্যমেই এই প্রতারক চক্রের বিদেশী নাগরিকরা ভিকটিম সংগ্রহ, বন্ধুত্ব স্থাপন, কাষ্টমস্ অফিসার পরিচয় এবং শেষে অর্থ সংগ্রহ করে আসছিল।

গ্রেফতারকৃত Udeze Obinna Ruben (42), দেশ-নাইজেরিয়া গত ২০১৭ সালে ভ্রমণ ভিসায় বাংলাদেশে আসে এবং ২০২০ সালে তার নামে -র‍্যাব-৪ কর্তৃক প্রতারণার মামলা হওয়ায় তার পাসপোর্ট জব্দ করা হয়। সে নিজেকে একজন গার্মেন্টস ব্যাবসায়ী বলে পরিচয় দেয় কিন্তু প্রকৃতপক্ষে প্রতারণাই তার মূল পেশা। সে এই আন্তর্জাতিক প্রতারক চক্রের মূলহোতা।

Ntombikhona Gebuza (36), দেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা গত ১৫ জানুয়ারি ২০২০ সালে ভ্রমণ ভিসায় বাংলাদেশে আসে এবং তার ভিসার মেয়াদ জুন ২০২২ সাল পর্যন্ত। সে Udeze Obinna Ruben (42) এর স্ত্রী বলে পরিচয় দেয়। Ifunanya Vivian Nnawuike (31), দেশ-নাইজেরিয়া গত ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯ সালে ভ্রমণ ভিসায় বাংলাদেশে আসে এবং গত জুলাই ২০২১ এ তার ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। Sunday Shederack Ejim (32), দেশ-নাইজেরিয়া গত ২২ মে ২০১৯ সালে ভ্রমণ ভিসায় বাংলাদেশে আসে এবং গত ডিসেম্বর ২০২১ এ তার ভিসার মেয়াদ শেষ হয়। Chinedu Moses Nnaji (36), দেশ-নাইজেরিয়া গত এপ্রিল ২০১৯ সালে ভ্রমণ ভিসায় বাংলাদেশে আসে এবং গত ডিসেম্বর ২০২১ সালে তার ভিসার মেয়াদ শেষ হয়। Collims Ifesinachi Talike (30), দেশ-নাইজেরিয়া গত জুন ২০১৯ সালে ভ্রমণ ভিসায় বাংলাদেশে আসে এবং গত ডিসেম্বর ২০২১ এ তার ভিসার মেয়াদ শেষ হয়। সে নিজেকে ফুটবলার হিসেবে পরিচয় দেয়। Chidimma Ebele Eylofor (26), দেশ-নাইজেরিয়া গত সেপ্টেম্বর ২০১৯ সালে ভ্রমণ ভিসায় বাংলাদেশে আসে এবং গত ডিসেম্বর ২০২১ এ তার ভিসার মেয়াদ শেষ হয়। গ্রেফতারকৃত প্রত্যেক আসামীই নিজেকে একজন গার্মেন্টস ব্যাবসায়ীসহ বিভিন্ন পরিচয় ব্যবহার করে কিন্তু প্রকৃতপক্ষে প্রতারণাই তার মূল পেশা।

গ্রেফতারকৃত নাহিদুল ২০০৮ সালে ঢাকার একটি স্কুল হতে এসএসসি এবং ২০১০ সালে একটি কলেজ হতে এইচএসসি পাশ করে একটি ইন্সুরেন্স কোম্পানীতে ইন্সুরেন্স করার কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে রেস্টুরেন্ট ও একটি কল সেন্টারে কাজ করে। ২০১৭ সালে ফ্যাশন ডিজাইন বিষয়ে ডিপ্লোমা করে ২০১৮ সালে মালয়েশিয়ায় গমণ করে এবং ২০২১ সালে দেশে ফিরে আসে। ব্যাক্তিগত জীবনে সে গ্রেফতারকৃত আসামী সোনিয়া আক্তারের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ।

গ্রেফতারকৃত সোনিয়া ২০০৬ সালে ঢাকার একটি স্কুল হতে এসএসসি এবং ২০০৮ সালে একটি কলেজ হতে এইচএসসি পাশ করে। ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত একটি এম্বাসিতে ২৫০০০/- টাকা বেতনে চুক্তিতে চাকুরী করে। ২০০৯ সালে তার প্রথম বিবাহ হয়, স্বামী নেশাগ্রস্থ হওয়ায় ২০১৭ সালে তাদের ডিভোর্স হয়ে যায়। ২০১৮ সালের শেষের দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নাইজেরিয়ান নাগরিক Udeze Obinna Ruben এর সাথে পরিচয় হয়। পরিচয়ের মাধ্যমেই সে এ প্রতারক চক্রের সাথে জড়িয়ে পরে। প্রতারণার কাজে সহযোগিতার জন্য Udeze Obinna Ruben ভিকটিম প্রতি প্রতারণার ২৫% অর্থ সোনিয়া আক্তারকে প্রদান করত। সোনিয়া আক্তারের নিজের নামে দক্ষিণখানে একটি চারতলা বাড়ি এবং একটি প্রাইভেট কার রয়েছে। প্রতি মাসে সোনিয়া ও নাহিদুল নাইজেরিয়ান নাগরিক Udeze Obinna Ruben এর সাথে উত্তরার জসিমউদ্দীন এলাকায় মাসে/সপ্তাহে ০২-০৩ বার দেখা করত। গত একবছরে ৩০-৩৫ জন ভিকটিমকে প্রতারিত করে অর্থ আত্মসাৎ করেছে বলে স্বীকারোক্তি প্রদান করেছে।

উক্ত গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতারক সদস্যদের গ্রেফতার করার জন্য গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

 

About Ayaz Ahmed

Check Also

মৃত্যু রোধ ও ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসে শক্তিশালী তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের কোন বিকল্প নেই :স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মৃত্যু রোধ ও ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসে শক্তিশালী তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের কোন বিকল্প নেই :স্বাস্থ্যমন্ত্রী   আয়াজ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *