Home রাজনীতি

0 62

সি টি জি ট্রিবিউন নিজস্ব প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশের স্বাধীনতা উত্তর প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে তাদের অবদান ছিল অবিস্মরণীয়
তৃণমূল এনডিএম’র চেয়ারম্যান ও মেয়র পদপ্রার্থী জননেতা খোকন চৌধুরী
বলেছেন, গণপ্রজান্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক মন্ত্রী মোহাম্মাদ নাসিম,
ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ, সিলেটের সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ
কামরান ও সাংবাদিক কামাল লোহানীসহ তৃণমূল এনডিএম’র স্থায়ী কমিটির সদস্য
রাজ্জাকুল হায়দার, স্থায়ী কমিটির সদস্য মুক্তিযোদ্ধা হুমায়ুন কবীর
ভুঁইয়া, কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও গাইবান্ধা জেলার সমন্বয়কারী মো. ফুল
মিয়া, কেন্দ্রীয় সদস্য এবং সাবেক চট্টগ্রাম জেলা সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম
হায়দারের মৃত্যুতে বাঙালী জাতি সৎ, নির্ভীক, আদর্শবান, রাজনীতিকদেরকে
হারালো। তাদের শূন্যতা পূরণ হবার নয়। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও তৃণমূল
এনডিএমকে যোগ্য নেতা হিসেবে যেমন তারা দলকে পরিচালিত করেছেন তেমনি
যোগ্যতার সাথে দায়িত্ব পালনও করে গেছেন। কেউ কেউ মন্ত্রী ও মেয়র হিসেবেও
অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন তারা। তেমনি তৃণমূল এনডিএমের নেতারা দলকে
সামনের দিকে এগিয়ে নেয়ার জন্য অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষা স্বীকার করে গেছেন।
বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা যে ক’জন নেতাকে নিয়ে গর্ব করেন তাদের অন্যতম
ছিলেন ঐ নেতাগুলো। বাংলাদেশের স্বাধীনতা উত্তর প্রতিটি আন্দোলন-সংপ্রামে
তাদের অবদান ছিল অবিস্মরণীয়। তাদের কর্মময় জীবনের নানা দিক তুলে ধরে
তাদের অবদানের কথা স্মরণ করেন তিনি। তিনি আজ ২৬ জুন শুক্রবার চট্টগ্রাম
প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে সকাল ১১ টায় তৃণমূল এনডিএম’র উদ্যোগে
মৃত্যুবরণকারী নেতাদের শোক ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা
বলেন। সভায় প্রয়াত নেতাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া
করা হয়। তিনি আরো বলেন, করোনা ভাইরাসের মধ্যেও সরকার প্রধান তার
দৃঢ়মনোবলের কারণে আজ জনগণের জন্য একটি যুগোপযোগী বাজেট ঘোষণা করেছেন। যা
ভবিষ্যতে আমাদের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে। তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসে দেশের
মানুষকে বাঁচানোর জন্য সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাবসহ সরকারের বিভিন্ন স্তর
ও বিভিন্ন রাজনীতিবিদ অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তাদেরকে আমার দলের
পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তিনি বলেন, রাজনীতির
অংগনে আজ শূন্যতা বিরাছ করছে। তারা একদিকে যেমন ছিলেন সমাজের শীর্ষ
পর্যায়ের মানুষ, অপর দিকে তাঁদের শেকড় ছিল অতি সাধারণ গণ-মানুষের মধ্যে
প্রোথিত। তাদের সঙ্গে ছিল গণমানুষের অত্যন্ত নিবিড় সম্পর্ক। তিনি আরো
বলেন, আমরা নাও থাকতে পারি আপনারা তৃণমূল এনডিএমকে জীবিত রাখবেন এবং হল
ধরবেন। যারা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের জন্য
সমবেদনা জানাচ্ছি। পরিশেষে মাঠে যারা সচেতনার জন্য কাজ করছেন তাদের
ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। মো. নজরুল ইসলামের কোরআন তেলোয়াতের মাধ্যমে
অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠান কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক পিকাশ শীল সাগরের
পরিচালনায় এবং তৃণমূল জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (তৃণমূল এনডিএম)
চট্টগ্রাম জেলা সভাপতি কাজী মো. শহিদুল্লাহ’র সভাপতিত্বে এ শোক সভায়
প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন তৃণমূল এনডিএমের স্থায়ী কমিটির সদস্য নুরুল
ইসলাম চৌধুরী। অন্যান্যদের মধ্য বক্তব্য রাখেন তৃণমূল এনডিএমের কেন্দ্রীয়
ভাইস চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, আবদুস সোবহান, দিলীপ দাশ, যুগ্ম মহসচিব
সিরাজুন নূর বেগম, প্রণব চক্রবর্তী, মোঃ খোরশেদ আলম, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক
সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর আহবায়ক নুরুল কবির শাহ, কেন্দ্রীয় নেতা সুভাষ
বড়–য়া, মহিলা নেত্রী ফরিদা ইয়াসমিন, সুলতানা রূপা, প্রীতি, তৃণমূল এনডিএম
মো. নয়ন, নেতা সুমন ইসলাম, যুব নেতা মো. রাসেল, স্থায়ী কমিটির সদস্য
মরহুম রাজ্জাকুল হায়দারের সন্তান নাজমুল হায়দার, তৃণমূল এনডিএমের
কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান মরহুম ফুল মিয়ার সন্তান মশিউর রহমান, তৃণমূল
এনডিএমের কেন্দ্রীয় নেতা খোকন চৌধুরী, মো. দেলোয়ার, কেন্দ্রীয় সদস্য
মরহুম নজরুল ইসলাম হায়দারের ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন এডভোকেট
মো. আবদুর রহিম, মো. জাহেদ, জসিম উদ্দিন, কামাল উদ্দিন, রনি দাশ, মানিক
দাশ, আকাশ দাশ, মো. সুমন, মো. মোজাম্মেল, মো. রাকিব হাসান, মো. আকতার,
মো. রানা, মো. লিটন, মো: হোসেন, মো. টিটু, মো. হোসেন, মো. মোজাম্মেল, মো.
জলিল মো. মিন্টু, প্রমুখ সভার শুরুতে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

সি টি জি ট্রিবিউন ঢাকা, বুধবার, ২৪ জুন ২০২০:তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘সরকারের সময়োচিত পদক্ষেপের কারণেই করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বিএনপি ও কিছু বিশেষজ্ঞের শঙ্কা-আশঙ্কা ভুল প্রমাণ হয়েছে।’

বুধবার (২৪ জুন) অপরাহ্নে সচিবালয়ে নিজ দপ্তর থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে চট্টগ্রাম বিভাগের চতুর্থ সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদ, শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল,

হুইপ শামসুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রামের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরিন আখতার, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার এ বি এম আজাদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন সঞ্চালিত এ সভায় অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘আজকে বাংলাদেশ তিনমাসের বেশি সময় ধরে প্রায় সবকিছু বন্ধু। এখন সীমিত আকারে খুললেও সবকিছু চালু হয়নি। সরকারের সঠিক এবং সময়োচিত পদক্ষেপ ও একইসাথে ব্যাপক ত্রাণ তৎপরতার কারণেই তিন মাসে বাংলাদেশে একজন মানুষও অনাহারে মারা যায়নি।

দেশে কোথাও খাদ্যের জন্য হাহাকার নেই। খাদ্যের জন্য হাহাকারের সম্ভাবনা নিয়ে অনেক বিশেষজ্ঞ মত দিয়েছেন, তাদের সেই মত ভুল প্রমাণিত হয়েছে।

চিকিৎসাসেবার ক্ষেত্রেও সরকার অনেক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং আরো নতুন নতুন পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে এবং এগুলো ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি করা হচ্ছে। আমরা যদি এভাবে এগিয়ে যেতে পারি, পরম সৃষ্টিকর্তার আর্শিবাদে আমরা এই মহামারি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবো।’

চিকিৎসা শুধু ধনাঢ্য ব্যক্তিদের জন্য নয়, চিকিৎসা সবার জন্য এবং সরকার সেটি নিশ্চিত করেছে উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, ‘সরকার ঢাকা, চট্টগ্রামসহ সারাদেশে জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে সামর্থ্য অনুযায়ী সমস্ত মানুষের জন্য চিকিৎসা নিশ্চিত করেছে।’

চট্টগ্রামের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বিভাগীয় কমিশনার জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বিভাগে আইসিইউ বেড ১৯৬টি। এরমধ্যে কিছু বেড খালিও আছে। অর্থাৎ এখানে শুরুতে যে সংকট ছিল, এখন তা নেই। চট্টগ্রামের রোগীরা যাতে আরো ভালোভাবে চিকিৎসা সুবিধা পায় সেজন্য আমরা সর্বোত্তভাবে চেষ্টা করছি, চট্টগ্রামে নিয়মিত সমন্বয় সভা করছি।

স্থানীয়ভাবে বিষয়গুলো দেখভাল করার জন্য বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে যে কমিটি করে দেয়া হয়েছে, তারাও কষ্ট করে অনেক কাজ করেছেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং চট্টগ্রাম ভেটেনারী বিশ্ববিদ্যালয় কোভিড-১৯ টেস্টের ব্যবস্থা করে যে উদাহরণ তৈরি করেছে, অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদেরকে অনুসরণ করবে বলে আমি আশা করি।

’ মন্ত্রী এসময় চট্টগ্রামে করোনা মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সকল সরকারি-বেসরকারি সংস্থা এবং প্রয়োজনে লাশ দাফনের কাজে এগিয়ে আসা মানুষ ও সংগঠনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

জীবন এবং জীবিকা রক্ষা দুটির মধ্যে সমন্বয় করেই নানা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে, সেজন্য এখন এলাকাভিত্তিক রেড জোন চিহ্নিত করা হচ্ছে, বলেন তথ্যমন্ত্রী। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, চিহ্নিত এলাকায় যেসব বিধিনিষেধ মেনে চলা প্রয়োজন,

আমাদেরকে অবশ্যই কঠোরভাবে সেগুলো মানতে হবে। তাহলেই আমাদের পক্ষে নিজেদেরকে, নিজের পরিবারকে, নিজের কাছের জনদেরকে সুরক্ষা দেয়া, সর্বোপরি মহামারি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে তাকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থানান্তর করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাহারা খাতুনের ব্যক্তিগত সহকারী মুজিবুর রহমান।

তিনি জানান, অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় আজ সকাল ১০টার দিকে ইউনাইটেড হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করেন।

এর আগে তিনি হাসপাতালের এসডিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ১২টায় তার চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকরা বৈঠক করেন বলে জানান মুজিবুর রহমান।

গত ২ জুন দিবাগত রাতে জ্বর, অ্যালার্জিসহ বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন অসুস্থতা নিয়ে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হন অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন। হাসপাতালে বেশ কয়েকবার পরীক্ষায় তার করোনাভাইরাস নেগেটিভ এসেছে।

সাহারা খাতুন দেশের প্রথম নারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। পরে মন্ত্রিপরিষদে রদবদল হলে তাকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

0 54

মোঃ ফয়সাল আহমেদ রাজ,গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ১৪ দলের মুখ পাত্র বর্ষীয়ান রাজনীতিবীদ সাবেক স্বাস্থ্য ও টেলি যোগাযোগ মন্ত্রী মোহাম্মাদ নাসিম আজ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জন বিভাগে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহির-রাজিউন।

মোহাম্মাদ নাসিমের মৃত্যুতে বঙ্গবন্ধু ছাত্র একতা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আবুল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক এ,কে,এম জাফর ইকবাল গভীর শোক প্রকাশ করেছে। এবং শোকাপ্ত পরিবারের মাঝে গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

কেন্দ্রীয় সংসদ সহ বঙ্গবন্ধু ছাত্র একতা পরিষদ ঢাকা জেলা শাখার সভাপতি আক্তার খান,সাধারণ সম্পাদক বিদ্যুৎ সরকার রৌদ্র এবং দপ্তর সম্পাদক মোঃ ফয়সাল আহমেদ রাজ গভীর শোক প্রকাশ করেছে।

এছাড়া ও গোপালগঞ্জ জেলা শাখার নেতাকর্মী ও গভীর শোক প্রকাশ করেছেন মোহাম্মাদ নাসিমের মৃত্যুতে।পরিশেষে তারা সকলে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।

এবংং তার সমাপ্তিতে রাজনীতির ময়দানে ব্যাপক শুন্যতা দেখা দিবে বলে মনে করেন বঙ্গবন্ধু ছাত্র একতা পরিষদের নেতাকর্মী।

0 96

দেশের প্রবীণ রাজনীতিবিদ, চৌদ্দ দলীয় জোটের মুখপাত্র ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে বাংলাদেশ কংগ্রেস।

শনিবার রাত ৯টার দলের এক ভার্চুয়াল মিটিঙে তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব গ্রহন করা হয়। দলটির চেয়ারম্যান এ্যাডঃ কাজী রেজাউল হোসেনের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব এ্যাডঃ মোঃ ইয়ারুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মিটিঙে বাংলাদেশ কংগ্রেসের নেতৃবৃন্দ বলেন, তাঁর মৃত্যুতে দেশ একজন বর্ষিয়াণ রাজনীতিবিদকে হারালো।

সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম (৭২) শনিবার বেলা ১১টা ১০ মিনিটে রাজধানীর বাংলাদেশ ষ্পেশালাইজড হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করেন।

১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর কারাগারের অভ্যন্তরে নিহত জাতীয় চার নেতার একজন এম মনসুর আলীর ছেলে সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম সিরাজগঞ্জের কাজীপুর থেকে পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

বাংলাদেশ কংগ্রেস দেশের বিশিষ্ট এই রাজনীতিবিদের মৃত্যুতে গৃহীত শোক প্রস্তাবে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং তাঁর শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে।

বাংলাদেশ কংগ্রেসের যুগ্ম মহ্সাচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল মোর্শেদ, ন্যাশনাল সিনেটের সদস্য এম এ মুঈদ হোসেন খান আরিফ, এ্যাডঃ জিয়াউর রশিদ, নাজমুল হক বাদল, অর্থ সম্পাদক এম. তাহের উদ্দিন,

শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জিয়াউর রহমান প্রমুখ উক্ত মিটিঙে অংশ গ্রহন করেন।

সি টি জি ট্রিবিউন নিজস্ব প্রতিবেদক:চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি’র প্রভাবশালী নেতা ও‌ উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং ফটিকছড়ি উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক আলহাজ্ব সরোয়ার আলমগীর এর পক্ষ থেকে ফটিকছড়িতে করোনা কালীন সময়ে মৃতদের কাফন-দাফনের কাজে নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবীদের জন্য পিপিই (সুরক্ষা পোশাক) প্রদান করা হয়েছে।

ফটিকছড়ি উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক সমাজসেবক ও দানবীর আলহাজ্ব সরোয়ার আলমগীর এর পক্ষ থেকে ফটিকছড়িতে করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত ব্যক্তিদের গোসল, কাফের-দাফনের কাজে নিয়োজিত সংগঠন গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ এর স্বেচ্ছাসেবীদের জন্য উক্ত সংগঠনের নাজিরহাট পৌরসভা শাখা সভাপতি জনাব মাওলানা সালাউদ্দিন এর কাছে এইসব পিপিই (সুরক্ষা পোশাক) হস্তান্তর করা হয় ।

সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান কালে বিএনপি নেতা সরোয়ার আলমগীর বলেন
” করোনা ভাইরাস এর প্রেক্ষিতে সৃষ্ট মানবিক ও আর্থিক সংকট নিরসনে শহীদ জিয়ার সৈনিকদের পাশাপাশি বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক সংগঠন গুলো মাঠে কাজ করছে নিরলসভাবে । তাদের সার্বিক সুরক্ষা দেওয়া আমাদের নৈতিক এবং মানবিক দায়িত্ব । সে দৃষ্টিকোণ থেকেই আমি আমার দায়িত্ব পালন করেছি এবং আমার এই কর্তব্য পালন অব্যাহত থাকবে সব সময় ।

এই‌ সময় উপস্থিত ছিলেন ফটিকছড়ি পৌরসভা বিএনপি’র আহ্বায়ক ফরিদুল আলম, নাজিরহাট পৌরসভা বিএনপি’র প্রভাবশালী নেতা নাসির উদ্দিন চৌধুরী,উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ন আহ্বায়ক নাজিম উদ্দিন শাহিন, উপজেলা যুবদলের নেতা হান্নান চৌধুরী,মাহমুদুল হাসান দিলু, মোঃ সাইফুদ্দিন, হাসান চৌধুরী দিপু, হাসানুল কোবির, মোঃ নাজিম উদ্দিন,

আমিন তালুকদার, উপজেলা ছাত্রদলের নেতা মোজাহারুল ইকবাল লাভলু, মইনুদ্দিন মেসি প্রমুখ ।

0 82

২০২০-২১ অর্থ বছরের বাজেটে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য ১১৩ কোটি টাকা (বাজেটের .০২%) চেয়ে অর্থমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ কংগ্রেস। দলের চেয়ারম্যান এ্যাডঃ কাজী রেজাউল হোসেন কর্তৃক স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, রাজনৈতিক দলগুলো দেশের কল্যাণে কাজ করে।

দেশের জন্য সর্বস্তরে নেতৃত্ব সৃষ্টিসহ সরকারের নানা ত্রুটি বিচ্যুতি তুলে ধরে এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে দেশ পরিচালনায় সরকারকে সহযোগিতা করে যার সুফল জনগণ ভোগ করে।

এজন্য তাদেরকে নানান ধরণের কর্মসূচী বা গবেষণামূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করতে হয়, যার জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হয়। ক্ষমতায় না থাকা দলগুলি বছরের পর বছর আর্থিক সংকটে থাকায় দেশের কল্যাণে প্রয়োজনীয় কর্মকান্ড পরিচালনা করতে পারে না।

ফলে দেশকে কাঙ্খিত সেবা দিতে দলগুলি ব্যর্থ হচ্ছে। দলগুলির জন্য নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে বাজেটের .০২% বরাদ্দ রাখতে হবে।ই-মেইলে প্রেরিত চিঠিতে বলা হয়, বিভিন্ন সামাজিক, সাংষ্কৃতিক সংগঠন বাএনজিওদের জন্য সরকারের আর্থিক সহায়তা থাকে। দেশের বৃহৎ স্বার্থে রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য কাজের সুযোগ সৃষ্টি করতে আর্থিক অনুদান আবশ্যক।

নির্বাচন কমিশনে প্রতি বছর দলগুলির জন্য আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রদান বাধ্যতামূলক। অর্থ প্রদান না করে হিসাব গ্রহন সমীচীন নয়, সুতরাং নির্বাচন কমিশনের উচিৎ দলগুলির জন্য বরাদ্দের ব্যবস্থা রেখে জবাবদিহিতা আদায় করা।

পাশর্^বর্তী দেশ ভারতসহ বিভিন্ন দেশে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলো জন্য সরকারী বরাদ্দ থাকে। বাংলাদেশেও রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য বরাদ্দের প্রচলন করার আহবান জানিয়েছে দেশের সর্বশেষ নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ কংগ্রেস।

চিঠিতে কাজী রেজাউল হোসেন বলেন, সমুদয় অর্থ সমানাংশে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে বন্টন করতে হবে। ১০টি শর্তপুরণ সাপেক্ষে তিনি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোকে উক্ত অর্থ বরাদ্দের আহবান জানান।

প্রথমতঃ উক্ত দলকে নাশকতামূলক বা জনস্বার্থ বিরোধী কোন কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকতে হবে, যদিও একক ব্যক্তির কোন কর্মকান্ড দলীয় কর্মকান্ড হিসেবে বিবেচিত হবে না; দ্বিতীয়তঃ সরকারকে পরামর্শ প্রদান বা গঠনমূলক করে বছরে দশটি দলীয় কর্মসূচী থাকতে হবে। তৃতীয়তঃ দলীয় প্রতীকে জাতীয় বা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বছরে অন্ততঃ দশজন প্রার্থী থাকতে হবে।

চতুর্থতঃ তিনি বলেন যদি কোন দলের জাতীয় বা আন্তর্জাতিক দিবস পালন সংক্রান্ত বছরে দশটি কর্মসূচী না থাকে এবং পঞ্চমতঃ কেন্দ্রীয়সহ সারা দেশে দশটি জেলা ও পঞাশটি উপজেলা কার্যালয় ও কমিটি না থাকে তাহলে উক্ত দল এই বরাদ্দের আওতায় আসবে না।

কাজী রেজাউল হোসেন আরও বলেন, সরকারি বরাদ্দ পেতে হলে কেন্দ্রীয় উদ্যোগে প্রতিবছর দলগুলিকে কমপক্ষে দশটি দলীয় সফর রাখতে হবে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বরাদ্দের দশ শতাংশ ব্যয় করতে হবে। তিনি বলেন,

দলীয় কর্মীদের নৈতিক মূল্যবোধ ও রাজনৈতিক জ্ঞান বৃদ্ধির লক্ষ্যে দলগুলিকে প্রতি বছর অন্ততঃ দশটি কর্মশালার আয়োজন করতে হবে এবং অর্থ বছরশেষে নির্বাচন কমিশন বরাবর এই অর্থ ব্যয়ের হিসাব প্রদান করতে হবে। এই শর্তসমুহ পুরণে ব্যর্থ হলে যে কোন দলের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ রাষ্ট্র বরাবর বাতিল করা যাবে মর্মে মতামত প্রদান করেন তিনি।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নিবাচন কমিশন সচিব ও সব নিবনন্ধিত রাজনৈতিক দলকে উক্ত চিঠির অনুলিপি প্রেরণ করা হয়।

0 74

সদ্য ঘোষিত বাজেটকে গতানুগতিক হিসেবে আখ্যায়িত করেছে বাংলাদেশ কংগ্রেস। বৃহঃবার রাতে অনুষ্ঠিত দলের এক ভার্চুয়াল মিটিঙে ”কেমন বাজেট হলো’’ শীর্ষক আলোচনা দলের নেতৃবৃন্দ বলেছেন, এ বাজেট দেশকে চমকিত হওয়ার মতো নতুন কিছু দিতে পারবে না।

দলের চেয়ারম্যান এ্যাডঃ কাজী রেজাউল হোসেনের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব এ্যাডঃ মোঃ ইয়ারুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মিটিঙে নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রতি বছর বাজেট পরবর্তী যে দুর্নীতি ও অপব্যবহার তা বন্ধ করার কোন কার্যকর দিক নির্দেশনা এই বাজেটে রাখা হয়নি।

সুতরাং বাজেট লুটপাটের ঘটনা আগের মতোই ঘটবে। নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশ পরিচালনায় দক্ষ ও মূল্যবোধ সম্পন্ন নেতৃত্ব সৃষ্টির জন্য বাজেটে অন্যান্য বারের মতো এবারও কোন বরাদ্দ বা পরিকল্পনা রাখা হয়নি।

অথচ নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে জবাবদিহিতার মধ্যে এনে আলোকিত নেতৃত্ব সৃষ্টির জন্য নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোকে বরাদ্দের আওতায় আনা উচিৎ ছিল। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিক দলগুলোকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হলে রাজনীতিতে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দরকার।

বাজেটে রাজস্ব ব্যবস্থার সংষ্কার বা কর সহজীকরণ সংক্রান্ত উল্লেখযোগ্য নির্দেশনা নেই বলে মতামত দেন দলের যুগ্ম মহাসচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন। বাজেটকে দেশের কল্যাণে আনতে এর আকার না বাড়িয়ে দুর্নীতি ও অপব্যবহার কমানোর তাগিদ দেন দলের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল মোর্শেদ।

করোনার কারণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আসন্ন গণছাটাই রোধে বাজেটে তেমন কোন পদক্ষেপের কথা বলা হয়নি বলে মনে করেন দলের কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক এম. তাহের উদ্দিন। লন্ডন থেকে যুক্ত হয়ে দলের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা এ আর সিকদার বলেন, বাজেট বাস্তবায়নে সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপগুলো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং বাজেটের অপব্যবহার রোধে দলীয় ভূমিকা থাকতে হবে।

দলের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম ন্যাশনাল সিনেটের সদস্য এ্যাডঃ জিয়াউর রশিদ বলেন, প্রতি বছর বাজেটের আকার বৃদ্ধি করা হলেও বাজেট নির্ভর দুর্নীতি ও অপব্যবহার জনিত কারণে দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে না। দুর্নীতি ও অপব্যবহার রোধে বাজেটে সুনির্দিষ্ট দিক নির্দেশনা রাখা উচিৎ ছিল।

দলের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জিয়াউর রহমান বলেন, বাজেটে নির্দিষ্ট কিছু সেক্টরে প্রণোদনার ঘোষণা দেয়া হয়েছে যা বৈষম্য সৃষ্টি করেছে। তিনি মনে করেন, সরকারের উচিৎ ছিল সব সেক্টরের শ্রমিকদের জন্য বাজেটে বরাদ্দ রাখা।

বাজেটকে তলাবিহীন ঝুঁড়ি উল্লেখ করে দলের পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক আবু সায়েম মোহাম্মদ সা’আদাত উল করীম বলেন, সরকারের প্রত্যেকটি সেক্টরে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে সীমাহীন দুর্নীতি হচ্ছে। দুর্নীতি বন্ধ না করলে সাড়ে পাঁচ লক্ষ কোটি টাকার এত বৃহৎ বাজেট শুধু দুর্নীতিবাজদের পকেট ভারী করবে, দেশের বড় কোন সুফল বয়ে আনবে না।

বাজেট ঘোষণার সাথে বাজার মনিটরিঙের আহবান জানিয়ে দলের দপ্তর সম্পাদক তুষার রহমান বলেন, বাজেটকে কেন্দ্র প্রতি বছর বাজার অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে, কিন্তু সরকার সেদিকে নজর দেয় না। সরকারের উচিৎ বাজেট পরবর্তী দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রন করা। মেহেরপুর থেকে দলের জেলা সদস্য সচিব রাহাতুল হোসেন ও মেহেরপুর সদর কমিটির সদস্য সচিব আল মাসুম আলী ভার্চুয়াল মিটিঙে যোগ দেন।

বাজেটে স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়াকে ইতিবাচক উল্লেখ করে মিটিঙে সময় মতো বাজেট প্রদান করায় সরকারকে ধন্যবাদ দেয়া হয় এবং ঘোষিত বাজেট বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে সরকারের প্রতি আহবান জানানো হয়।

test 1