এমন জয়ের পরও ইতিবাচক মাশরাফি -

এমন জয়ের পরও ইতিবাচক মাশরাফি

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সহজ ম্যাচটা কঠিন করে জিতেছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। মঙ্গলবার রাতে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৩২২ রানের পাহাড় গড়েও প্রায় হারার পালা হয়েছিল টাইগারদের। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শেষের নাটকীয়তায় চার রানের দারুণ জয় তুলে নেয় স্বাগতিক শিবির। থ্রিলার এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ ২-০ ব্যবধানে নিশ্চিত করে ফেললেন মাশরাফিরা। আগামী শুক্রবার তৃতীয় তথা শেষ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশের ছুঁড়ে দেওয়া রানপাহাড়ের জবাব দিতে নেমে ২৫ ওভারে ৪ উইকেটে ১০৬ রান তুলেছিল জিম্বাবুয়ে। টাইগাররা বড় জয় পাবে এমনটাই প্রত্যাশা ছিল। এরপরই চমক। জিম্বাবুইয়ান ব্যাটসম্যানদের তাণ্ডবে দিশেহারা হয়ে পড়েন বাংলাদেশি বোলারা। শেষ দুই বলে তো ছয় রানের সমীকরণে চলে এসেছিল সফরকারীরা। যদিও সমীকরণটা মেলাতে পারেননি উইলিয়ামসরা। শেষ বলে জিতেছে বাংলাদেশ।

যদিও শেষ ওভারে আল-আমিনের পঞ্চম ডেলিভারিটা নিয়ে ছিল বিতর্ক। বলটা ওয়াইড মনে হচ্ছিল টিভি রিপ্লেতে। ওই বলে রান নিতে পারেননি দশে নেমে বিস্ফোরক হাফসেঞ্চুরি করা ত্রিপিয়ানো। শেষ বলে একটি সিঙ্গেল নেন তিনি। তবে তৃতীয় ও চতুর্থ বলে আল-আমিনকে দুই ছক্কা মেরে ভয় ধরিয়ে দিয়েছিলেন ত্রিপিয়ানো। শেষাবধি বৃথা গেছে তার ২২ বলে ৫৫ রানের ইনিংসটা।

এমন জয়ের পরও ম্যাচ থেকে ইতিবাচক দিক খুঁজে নিচ্ছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। এই ম্যাচের শিক্ষা ভবিষ্যতে কাজে লাগাতে চান মাশরাফি। ম্যাচ সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ‘কাদের বিরুদ্ধে জিতেছি সেটা মূখ্য নয়। এ ধরনের কঠিন জয় অনেক সময় বড় ম্যাচে সাহায্য করে। কোন ধরনের পরিস্থিতিতে স্নায়ু কীভাবে কাজ করে, বোঝা যায়।’ অধিনায়কের দাবি ম্যাচে শিশির ভুগিয়েছে তাদের।

মাশরাফি বলেছেন, ‘যখন ওদের রান ১৪০ ছিল, সিকান্দার রাজা ব্যাট করছিল। অনেক শিশির পড়ছিল। উইকেটে গ্রিপ করছিল না। বল ব্যাটে আসছিল ভালো। বোলারদের শক্তির জায়গাগুলো কাজ করছিল না। আমার কাছে মনে হয়, এটা সমস্যা হয়েছে। আজ  শিশির বেশি ছিল। উইকেট ১০ ওভারের পর আরও বেশি ব্যাটিং বান্ধব হয়ে গিয়েছিল। বল গ্রিপ করছিল না। এ কারণে আমরা (মাহমুদুল্লাহ) রিয়াদকে দিয়ে চার ওভার কভার করিয়েছি।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *